Welcome to our free educational seo hire me website

We are provided free online seo tips like as dofollow/ nofollow and High PR Social bookmarking, dofollow/ nofollow Blog commenting 3. Directory Submission 4. Article Submission 5. Guest posting and Writing 6. Seo Keyword Research and Difficulty Research 7. Increasing Facebook Fan Page Likes and 8. Twitter 9. Genuine Profile, 10. Q/A, 11.Classified ads posting 12. Forum Post 13. Free website creations.
  • SEO Gig

    • We have quite ten years of expertise in SEO program improvement. Some time past I didn’t even decision it SEO however simply ‘ranking’. Since then I actually have forever stayed updated with the new changes that Google and different search engines create to assure you that I’m still providing a prime quality service for my shoppers and can keep doing it! I’m a flexible SEO Specialist, which suggests I actually have in depth information on technical, on-page and off-page SEO.
  • Why MY SEO PROFILE Will Change Your Life

    • What Experts Are Saying About HIRE ME NOW AS AN SEO SPECIALIST,It’s time to rent associate degree SEO Specialist to try and do the duty for you! so as to urge additional potential customers on your web site, you may have to be compelled to rank high in search engines like Google or Bing. this may lead to additional guests and, if everything is finished in a very right manner, additional shoppers and sales. However, not everybody will decision themselves a specialist in computer programme optimisation and notwithstanding you're, not everybody has time to urge their website to the highest rankings in search engines. And that’s wherever I are available in. rent American state currently as associate degree SEO Specialist! Read More
  • Friendly Support

    • We are updating our website, so please like us our facebook page for update notifications. We are early post Complete online marketing strategy for learning something.
  • Web 2.0 Service

    • We will create 50 web 2.0 links for $150. We will be responsible for filling out 4 things: 1. Keyword in URL 2. Business Name 3. Business Description 4. Back link on newly created URL Read More
  • Maximum Results

    • If any one interested for learning seo then we want to help for like this. We are successfuly completed many seo and digital marketing. So we are share our strategy our experince in this blog.

ডিজিটাল মার্কেটিং এবং এস,ই,ও আউট সোর্সিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং এবং  এস,ই,ও  আউট সোর্সিং কি?

বর্তমান বিশ্বে ব্যবসায়ীক বা যেকোন প্রচারণার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। আর ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে মার্কেটিং এর এমন একটি মাধ্যম যার দ্বারা আপনি আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের বিজ্ঞাপন খুব সহজে আপনার কাঙ্খিত কাস্টোমারের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন। এই ডিজিটাল মার্কেটিং অনেকেই পেশা হিসেবে নিচ্ছেন।কেউ কেউ কাজ করছেন বিভিন্ন কোম্পানির ডিজিটাল মার্কেটার পোস্টে, আর কেউ কেউ করছেন ফ্রিলান্সিং হিসেবে। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এবং এস,ই,ও হলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয় যা শিখে আপনি গড়ে করতে পারেন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার।



সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং এর জনপ্রিয় ও সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হলো সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। এখন ছোট বড় প্রায় সব কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রচারণা করে থাকে্ন। আর কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান গুলো সোস্যাল মিডিয়াতে মূলত দুই ভাবে মার্কেটিং করে থাকেন, যার একটি হলো ফ্রি মার্কেটিং অন্যটি পেইড। আর এই দুই ধরনের মার্কেটিং এর জন্য রয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-কানুন ও কলা-কৌশল যেমন ফ্রি মার্কেটিং করতে পারেন পেজ, গ্রুপ ইত্যাদির মাধ্যমে আর পেইড মার্কেটিং এর জন্য প্রত্যেক সোশ্যাল মিডিয়াতে রয়েছে মার্কেটিং ড্যাশবোর্ড, যেখান থেকে আপনি আপনার ক্যাম্পাইন গুলো পোস্ট করতে পারবেন। 


পেইড সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হলো এর রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট অনেক হাই হয়ে থাকে। তাই কোম্পানি বা ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান গুলো প্রচারনার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং কে বেছে নেয়। আর তাদের ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য প্রয়োজন হয় প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটিং টিম। সুতরাং ডিজিটাল মার্কেটারের চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলছে। 

এস,ই,ও কি?

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন, যাকে সংক্ষেপে বলা হয় এস,ই,ও যা ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্বপূর্ণ  আরেকটি মাধ্যম। আর এখন প্রায় সব ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গুলোর এমনকি ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনেকের নিজস্ব ওয়েব সাইট রয়েছে। সাধারনত ইন্টারনেট ব্যাবহারকারী গণ যেকোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তি বিশেষের নাম সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সার্চ করে ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে। সরাসরি ওয়েব সাইটের অ্যাড্রেস লিখে কম মানুষই একটি সাইটে প্রবেশ করেন। সুতরাং বুঝতেই পারছেন কেন একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন করতে হয়।

তাছাড়া আজকের প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসইওর মাধ্যমে আপনার পণ্যকে গুগল সার্চের সবচেয়ে উপরে নিয়ে আসবেন, তাহলে আপনার পণ্যের বিক্রিও বৃদ্ধি পাবে কারণ বর্তমানে মানুষ কোন পণ্য কেনার আগে গুগল থেকে সার্চ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

 শুধু মাত্র নতুনদের জন্য


Start freelancing & Earn money
Share:

বিনা জামানতে ২ লাখ টাকা লোন পাবে যুবকরা : প্রধানমন্ত্রী

বিনা জামানতে ২ লাখ টাকা লোন পাবে যুবকরা : প্রধানমন্ত্রী




টিবিটি জাতীয়ঃ‘যুব দিবসে’প্রধানমন্ত্রী যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আমাদের সরকার বিভিন্ন মেয়াদে ট্রেনিং দিচ্ছে। এ ট্রেনিং নিয়ে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। যুবকদের কথা চিন্তা করে সরকারি বিভিন্ন খাতের সঙ্গে বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।


যুব সমাজের জন্য হাজার হাজার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের সরকার যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করেছে। যে কোনো যুবক বিনা জামানতে ২ লাখ টাকা লোন পাচ্ছেন।
গত নভেম্বর ২, ২০১৮ইং তারিখে রোজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে যুব দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন যুব ক্রীড়া উপ-মন্ত্রী আরিফ খান জয় ও জাহিদ আহসান রাসেল।
Share:

নতুন মন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৭০টি গাড়ি


পরিবহন পুলে ধোয়ামোছা হচ্ছে গাড়ি সোমবার (৭ জানুয়ারি) শপথ নিতে যাওয়া মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য প্রায় ৭০টি গাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে। পরিবহন পুলে গাড়িগুলো শেষ মুহূর্তের ধোয়ামোছার কাজ রোববার শেষ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহম্মদ বলেন, আমাদের যথেষ্ট গাড়ি প্রস্তুত রাখা আছে। চালকও প্রস্তুত। মন্ত্রীদের ঠিকানা পেলেই আমরা গাড়ি পৌঁছে দিতে পারবো। গাড়ি যা লাগবে সবই দেওয়া যাবে। সংখ্যাটা বলছি না।
পরিবহন পুলে গিয়ে দেখা গেছে, টয়োটা হাইব্রিড গাড়ি সারি-সারি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের বঙ্গভবনে যাওয়ার জন্য এসব গাড়ি বরাদ্দ থাকবে, সেগুলোতে জাতীয় পতাকার স্ট্যান্ডও যুক্ত করা হয়েছে।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর, ১২ জানুয়ারি ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করে যাত্রা শুরু হয়েছিল সরকারের। তাদের মধ্যে ২৯ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী ও দুজন উপমন্ত্রী। শেষ পর্যন্ত ওই মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন ৫৩ জন। তবে ভোটের আগে পদত্যাগ করেন চার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। শেষ পর্যন্ত সংখ্যাটি দাঁড়ায় ৪৯-এ।
এবার যারা মন্ত্রীত্ব পেলেন-
২৪ জন পূর্ণমন্ত্রী
আ ক ম মোজাম্মেল হক- মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ওবায়দুল কাদের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক কৃষি মন্ত্রণালয়, আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ড. মো. হাছান মাহমুদ তথ্য মন্ত্রণালয়, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আ হ ম মোস্তফা কামাল অর্থ মন্ত্রণালয়, মো. তাজুল ইসলাম স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, ডা. দীপু মনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এ কে আব্দুল মোমেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এম এ মান্নান পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন শিল্প মন্ত্রণালয়, গোলাম দস্তগীর গাজী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, জাহিদ মালেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্য মন্ত্রণালয়, টিপু মুনশী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, নুরুজ্জামান আহমেদ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, শ ম রেজাউল করিম গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, মো. শাহাবুদ্দিন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বীর বাহাদুর উ শে শিং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সাইফুজ্জামান চৌধুরী ভূমি মন্ত্রণালয়, মো. নুরুল ইসলাম সুজন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং টেকনোক্র্যাট কোটায় স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মোস্তাফা জব্বার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

১৯ জন প্রতিমন্ত্রী
কামাল আহমেদ মজুমদার শিল্প মন্ত্রণালয়, ইমরান আহমেদ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জাহিদ আহসান রাসেল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, নসরুল হামিদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, আশরাফ আলী খান খসরু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মুন্নুজান সুফিয়ান- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জাকির হোসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, শাহরিয়ার আলম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জুনায়েদ আহমেদ পলক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, ফরহাদ হোসেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বপন ভট্টাচার্য্য স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, জাহিদ ফারুক পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মুরাদ হাসান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, শরীফ আহমেদ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, কে এম খালিদ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডা. মো. এনামুর রহমান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, মো. মাহবুব আলী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

তিনজন উপমন্ত্রী
বেগম হাবিবুন নাহার পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, একেএম এনামুল হক শামীম পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


Copy: daily naya diganta
Share:

সবকিছুতেই এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ, ইমরান খানের আক্ষেপ

ইমরান খান
২০১৮ সালের আগস্টে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইমরান খান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েও বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছেন তিনি। বাংলাদেশের উন্নতির সঙ্গে নিজের দেশের উন্নতির তুলনা করে আক্ষেপ করে একবার ইমরান খান বলেছেন, সবকিছুতেই এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর দেয়া তার সেই বক্তব্যের ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) যখন আলাদা হয়েছিল আমাদের অনেকে বলেছিলেন, 'পূর্ব পাকিস্তান আমাদের জন্য বড় মাপের বোঝা হিসেবে ছিল।' নিজের কানেই আমি এসব শুনেছি। সেই পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) সবকিছুতেই এগিয়ে গেছে। তাদের দূরদর্শী চিন্তার জন্যই এটা হয়েছে। 
শুধু ইমরান খান নন, বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের উন্নতি নিয়ে প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ আলাদা হয়েছিল ১৯৭১ সালে। এ বিষয়টি উল্লেখ করে তারা বলেন, পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা নিয়ে রফতানিসহ বাংলাদেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে যেখানে যেতে পাকিস্তানের ১০-১২ বছর লাগবে। 

বিডি প্রতিদিন
Share:

নৌকা নিয়ে লড়বেন ২৭২ জন



জোটসঙ্গীসহ আওয়ামী লীগ মোট ২৭২জনকে নৌকা প্রতীক দিয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা সবাই মাহজোটের প্রার্থী উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। বাকী আসনগুলোতে জোটের শরিকরা নিজ দলের প্রতীক নিয়ে লড়বেন।

আওয়ামী লীগের সাথে জোটগতভাবে নির্বাচনে যাওয়া জাতীয় পার্টির জন্য ২৬টি আসন ফাঁকা রেখেছে ক্ষমতাসীন দলটি। তবে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, মহাজোটের শরিক হিসেবে তাদের ২৯টি আসন ছাড়া হয়েছে।

রোববার নির্বাচন কমিশনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বাক্ষরে চিঠিতে দলের একক প্রার্থী ও তার শরিকদের নৌকা প্রতীক দিতে ২৭২ জনের তালিকা দেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগের ২৫৮ জনের পাশাপাশি ওয়ার্কার্স পার্টির পাঁচ, জাসদের তিন, তরিকত ফেডারেশনের দুই, বাংলাদেশ জাসদের এক ও বিকল্পধারার তিনজন নৌকা প্রতীকে ভোট করবেন। জোটের অন্য শরিক জাতীয় পার্টি (জেপি) দুইজন দলীয় প্রতীক ‘বাই সাইকেল’ নিয়ে ভোটে থাকছেন।

আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের মধ্যে ২৭৪ জনের তালিকা দেওয়ায় বাকি ২৬টি আসন থাকছে জাতীয় পার্টির জন্য। এসব আসনে মহাজোটের শরিক দলটির প্রতীক লাঙ্গলের জন্য একক প্রার্থী রাখা হতে পারে। সেক্ষেত্রে লাঙ্গল ছাড়া জোটের অন্য শরিক দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হতে পারে কিংবা দলীয়ভাবে ভোট করার ঘোষণা আসতে পারে।

এদিকে জাতীয় পার্টি ১৭৩ জনের তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২৯ আসনে মহাজোটের সাথে ভোট করবে তারা। বাকি আসনগুলো ‘উন্মুক্ত’ বিবেচনায় তাদের প্রার্থীরা ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রার্থীর পরিচয় প্রতীক দিয়ে। যে প্রতীকে ভোট করবেন, তিনি সংশ্লিষ্ট দলের। সে হিসাবে নৌকার প্রার্থী ২৭২ জন। বাকি ২৮টি আসনে জোটগতভাবে ভোট করতে হবে আওয়ামী লীগকে।

নির্বাচনে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি দলীয় ও তাদের জোটসঙ্গী দলগুলোর নেতাদের মিলিয়ে ২৯৮ জনকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের জন্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে।

বিএনপির নতুন-পুরনো জোটসঙ্গী মিলিয়ে সব দল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করলেও একমাত্র এলডিপির অলি আহমদ নিজ দলের প্রতীক ‘ছাতা’ নিয়ে ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন।

এছাড়া কক্সবাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর নেতা হামিদুর রহমান আযাদ বিএনপির সমর্থন পাচ্ছেন। ধানের শীষের ২৯৮ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি নেতা রয়েছেন ২৪২ জন। এর বাইরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলোর ১৯ জন, জামায়াতে ইসলামী বাদে ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর ১৬ জন এবং জামায়াতের ২২ জন নেতা রয়েছেন।

পাঁচ বছর আগের দশম সংসদ নির্বাচন বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট বর্জন করে।

তার আগে ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ২৬৪ আসনে একক প্রার্থী দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় পার্টি প্রার্থী দিয়েছিল ৪৯ আসনে।

ওই নির্বাচনে ২৬০ আসনে একক প্রার্থী দেয় বিএনপি। বাকিগুলোতে জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের অন্য জোটসঙ্গীদের প্রার্থী ছিল।

(Daily naya diganta)


Share:

প্রার্থী-বাতিল-৭৮৬-বৈধ-প্রার্থী-২২৭৯

প্রার্থী বাতিল ৭৮৬,  বৈধ প্রার্থী ২২৭৯ - সংগৃহীত

দু’হাজার ২৭৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে গণ্য হলেও ৭৮৬জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটাণিং কর্মকর্তারা। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ৩ হাজার ৬৫ জন ব্যক্তি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন গত ২৮ডিসেম্বর। আর রোববার যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াতে বিরাট ও রেকর্ড সংখ্যক ব্যক্তির মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে। 

বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা একে আলী আজম জানান, ঢাকা সিটির ১৫টি আসনে ৫২টি মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ১৬১টি মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষনা করা হয়। যেখানে ১৫টি সংসদীয় আসনে মোট ২১৩ জন প্রার্থীতার জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

তার দেয়া তথ্যানুযায়ী, ঢাকা-৪ আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বাতিলের তালিকায় নাম রয়েছে গণফোরাম প্রার্থী নজরুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আওলাদ হোসেনের নামও।

ঢাকা-৫ আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বাতিল করা হয় বিএনপির প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়াসহ তিন জনের মনোনয়নপত্র। এ আসনে একজনের মনোনয়ন স্থগিত হয়েছে।

ঢাকা-৬ আসনে ১৩ জনের মধ্য ১০ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন। তবে বাতিল হয়ে গেছে ৩ জনের মনোনয়নপত্র।

ঢাকা-৭ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ১৯ জনের মধ্যে ১৪ জনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোাষণা হয়েছে। বাতিল হয়েছে বিএনপির প্রার্থী দলটির সাবেক নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তারসহ ৪ জনের প্রার্থীতা।

ঢাকা-৮ আসনে মোট ২২ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের মধ্যে বিএনপির মির্জা আব্বাস, মহাজোটে রাশেদ খান মেননসহ ১৪ জনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। বাতিল হয়েছে ৭ জনের।

ঢাকা-৯ আসনে মোট ১০ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের মধ্যে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসসহ তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। বাকিদের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষিত হয়েছে। এ আসনে ৮০টি মামলা নিয়ে নির্বাচনে লড়বেন বিএনপির অপর প্রার্থী হাবিবুর রশিদ।

ঢাকা-১০ আসনে মোট ৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে ঋণখেলাপীর অভিযোগে গণফোরাম প্রার্থী খন্দকার ফরিদুল আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। আর এনবিআরে ৩ হাজার টাকা বকেয়া থাকায় জাতীয় পার্টি প্রার্থী হেলাল উদ্দিনের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়।

ঢাকা-১১ আসনে ১১ জন তাদের মনোনয়ন দাখিল করলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান মিয়ার হলফনামায় ভুল থাকায় তার প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। বাকিদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা-১২ আসনে মোট ৮ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। এ আসনে ২৬৭টি মামলা নিয়েও বৈধতা পেয়েছেন সাইফুল আলম নিরব এবং ৭২টি মামলা নিয়ে উতরে গেছেন আনোয়ারুজ্জামান। একইভাবে ঢাকা-১৩ আসনে মোট ১২ জন প্রার্থীর সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়

ঢাকা-১৪ আসনে মোট ১৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। ঋণখেলাপী ও হলফনামায় ভুল তথ্য দেয়ার অভিযোগে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিকসহ ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ আসনে ১৪টি মামলা নিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য বৈধতা পেয়েছেন বিএনপি নেতা মুন্সি বজলুল বাসিদ আনজু ও ৬টি মামলা নিয়ে আছেন বিএনপির আরেক নেতা সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক।

ঢাকা-১৫ আসনে মোট ১৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে ১৩ জনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। ঋণখেলাপীর অভিযোগে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুকুল আমিনসহ তিন জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

ঢাকা-১৬ আসনে ১৯ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের মধ্যে ঋণখেলাপী, হলফনামায় তথ্য ভুল থাকায় গণফোরামের প্রার্থী খন্দকার ফরিদুল আকবর, বিএনপির প্রার্থী একে মোয়াজ্জেম হোসেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আমানত হোসেনসহ ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

ঢাকা-১৭ আসনে মোট ২৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে ১৪ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বিএনপি প্রার্থী শওকত আজিজসহ ১১ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। সংশোধনের জন্য ২ জনের প্রার্থীতা স্থগিত করা হয়।

ঢাকা-১৮ আসনে মোট ১২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণ করা হয়।

ঢাকার ছয় জেলায় ১১৬টিই বাতিল হয়েছে। বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ৩৬৩টি মনোনয়নপত্র। তবে এখানে দাখিল ৪৭৭টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। ঢাকা অঞ্চলের মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি আসনে মোট ২৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে আটজনের মনোননয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। মুন্সিগঞ্জ জেলার তিনটি আসনে মোট ৩০জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ছয়জনের মনোননয়ন বাতিল করা হয়েছে।

ঢাকা জেলার ২০টি আসনে মোট ২৬৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ৭১ জনের মনোননয়ন বাতিল হয়েছে। গাজীপুর জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৪৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ১০ জনের মনোননয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

নরসিংদী জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৪৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে সাতজনের মনোননয়ন বাতিল করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৬১ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ১৪ জনের মনোননয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।


(copy: daily nayadiganta)
Share:

বেগম জিয়াকে দিয়ে শুরু বিএনপির চূড়ান্ত মনোননয়ন


একাদশ সংসদ নির্বাচনে কারাবন্দি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে তিন আসনে মনোনয়নের চিঠি হস্তান্তরের মধ্যে দিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীদের প্রত্যয়নপত্র দেওয়া শুরু করেছে বিএনপি। খালেদা জিয়া এবার মনোনয়ন নিয়েছেন ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসন থেকে।
বিকালে গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়নের চিঠি বিতরণের এই কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিনে বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে দলের সব প্রার্থীদের চিঠি দেয়া হয়েছে। অন্যান্য বিভাগের অনেক প্রার্থীও চিঠি সংগ্রহ করেছেন। আজ সারাদিন চিঠি প্রদানের এ কাজ চলবে।
প্রার্থী তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে- পুরনোদের প্রাধান্য দিয়েছে বিএনপি। এক্ষেত্রে ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি অধিকাংশ আসনেই বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে। বিকল্প প্রার্থীরা অধিকাংশই নতুন। কোন কারনে মূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেলে ‘ব্যাকআপ’ হিসেবে বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে বলে দলটির নীতি-নির্ধারকেরা জানিয়েছেন। কারাগারে কিংবা দেশের বাইরে থেকে দলের বেশ কিছু নেতা নির্বাচন করতে চাইলেও, তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে বিএনপির হাইকমান্ড তাদের প্রতি তেমন আগ্রহ দেখায়নি।
মনোনয়ন পেলেন যারা :
রংপুর বিভাগ: পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ/ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ/, জয়পুরহাট-১ ফয়সাল আলীম/ ফজলুর রহমান, জয়পুরহাট-২ আবু ইউসুফ খলিলুর রহমান/ গোলাম মোস্তফা।
দিনাজপুর-১ মঞ্জুরুল ইসলাম/মামুনুর রশিদ, দিনাজপুর-২ সাদিক রিয়াজ পিনাক/বজলুর রশিদ, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম /ডা. মাজহারুল ইসলাম দোলন, দিনাজপুর-৪ হাফিজুর রহমান সরকার /আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৫ রেজয়ানুল হক ও জাকারিয়া বাচ্চু, দিনাজপুর-৬ লুৎফর রহমান/ শাহিন।
রংপুর ১: মোকারম হোসেন সুজন, রংপুর ২ : ওয়াহেদুজ্জামান মামুন/ মোহাম্মদ আলী, রংপুর-৩: রিটা রহমান/মোজাফফর আহমেদ, রংপুর-৪: এমদাদুল হক ভরসা, রংপুর-৫: সোলাইমান আলম/ ডা. মমতাজ, রংপুর-৬: সাইফুল ইসলাম।
গাইবান্ধা-১ খন্দকার জিয়াউল ইসলাম/মোজাহারুল ইসলাম, গাইবান্ধা-২ মাহমুদুন্নবী টিটুল/আহাদ আহমেদ, গাইবান্ধা-৩ ডা. মইনুল হাসান সাদিক, গাইবান্ধা-৪ ওবায়দুল হক/ফারুক আলম, গাইবান্ধা-৫ হাছান আলী/ ফারুক কবীর।
কুড়িগ্রাম-১: সাইফুর রহমান রানা/ শামীম, কুড়িগ্রাম-২ সোহেল ও আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ তাসভীরুল ইসলাম / আব্দুল খালেক, কুড়িগ্রাম-৪ মোখলেছুর রহমান/ আজিজুর রহমান, লালমনিরহাট-৩ অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।

রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী-১: ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-২: মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩: মতিউর রহমান মন্টু, রাজশাহী-৪: শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫: আবু হেনা/ আবদুল গফুর, রাজশাহী-৬: নাদিম মোস্তফা/নজরুল মন্ডল, রাজশাহী-৭ : আবু সাঈদ চান।
সিরাজগঞ্জ -১ : কনক চাঁপা, সিরাজগঞ্জ-২ : ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু/রোমানা মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ-৩: আব্দুল মান্নান তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৫ : আমিরুল ইসলাম খান আলীম/ রাকীবুল করিম খান পাপ্পু, সিরাজগঞ্জহ-৬: ড. এম এ মোহিত।
নাটোর -১: তাইফুল ইসলাম টিপু/ অধ্যক্ষ কামরুন নাহার শিরীন, নাটোর-২ : রহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, পাবনা-৫ মোহাম্মদ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
নওগাঁ-১ সাদেক চৌধুরী/মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ : শামসুজ্জোহা / খাজা নাজিবুল্লাহ, নওগাঁ-৩ : রবিউল আলম বুলেট/আরেফিন সিদ্দিকী নওগাঁ-৪ : শামুসুল আলম প্রামাণিক ও ডা. ইকরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-৫ : জাহিদুল ইসলাম ধলু ও নাজমুল হক সনি, নওগা-৬ : আলমগীর কবীর/ রেজাউল ইসলাম রেজু।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শাহজাহান মিয়া/ বেলাল বাকী ঈদ্রিসী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আনোয়ারুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আবদুল ওয়াদুদ/ হারুনুর রশিদ।
বরিশাল বিভাগ :  বরগুনা- ১ : মতিউর রহমান তালুকদার, নজরুল ইসলাম মোল্লা, বরগুনা-২ : খন্দকার মাহবুব হোসেন ও নুরুল ইসলাম মনি।
পটুয়াখালী- ১ : আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২ : সুরাইয়া আখতার চৌধুরী, শহীদুল আলম তালুকদার, সালমা আলম, পটুয়াখালী-৩ গোলাম মাওলা রনি, হাসান মামুন, মো. শাহজাহান, পটুয়াখালী-৪ : এবিএম মোশাররফ হোসেন, মনিরুজ্জামান মুনির।
ভোলা-২ : হাফিজ ইব্রাহিম, রফিকুল ইসলাম মনি, ভোলা-৩ : হাফিজউদ্দিন আহমেদ, কামাল হোসেন, ভোলা-৪ : নাজিমউদ্দিন আলম, মো. নুরুল ইসলাম নয়ন।
বরিশাল ১ : জহিরউদ্দিন স্বপন, আবদুস সোবহান, বরিশাল-২ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, শহিদুল হক জামাল, বরিশাল-৩ : জয়নুল আবেদীন, সেলিমা রহমান, বরিশাল-৪ : মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, রাজীব আহসান, বরিশাল-৫: মজিবর রহমান সারোয়ার, এবাদুল হক চাঁন, বরিশাল-৬ : আবুল হোসেন, অধ্যক্ষ রশিদ খান।
ঝালকাঠি -১ : শাহজাহান ওমর, ঝালকাঠি-২ : রফিকুল হক জামাল, ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, জেবা খান।
পিরোজপুর : পিরোজপুর-৩ : রুহুল আমিন দুলাল, শাহজাহান মিলন।
অন্যান্য বিভাগে যাদের প্রার্থীতা চূড়ান্ত করা হয়েছে
চট্টগ্রাম : ফেনী-২ : জয়নাল আবেদীন ভিপি, নোয়াখালী-১ : ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২: জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩: মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৪ : বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৫: ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নোয়াখালী-৬: ফজলুল আজিম, লক্ষ্মীপুর-২: আবুল খায়ের ভুইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, লক্ষ্মীপুর-৪: আশরাফ উদ্দিন নিজান।
ঢাকা বিভাগ: ঢাকা-২ : আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা ৩ : গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ : সালাউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা -৫ : নবীউল্লাহ নবী, ঢাকা-৬: আবুল বাশার, ঢাকা-৮ : মির্জা আব্বাস , ঢাকা-১৩: আব্দুস সালাম, নরসিংদী-১ খায়রুল কবীর, নরসিংদী-৩ সানাউল্লাহ মিয়া।
সিলেট বিভাগে : সিলেট-২ : তাহসিনা রুশদির লুনা, মৌলভীবাজার-২ সুলতান মো. মনসুর আহমেদ।
খুলনা বিভাগ : ঝিনাইদহ-১: আসাদুজ্জামান আসাদ/ আব্দুল ওহাব, ঝিনাইদহ-২ : এ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ/ এসএম মশিউর রহমান, ঝিনাইদহ-৩ : মেহেদী হাসান রনি/মনির খান, ঝিনাইদহ-৪ : সাইফুল ইসলাম ফিরোজ/শহিদুজ্জামান বেল্টু।
Share:

আওয়ামীলীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা



একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতত্বাধীন মহাজোটের প্রায় ৩০০ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থীদের মনোনয়নের চিঠিও দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার স্বাক্ষর করা মনোনয়ন চিঠি রোববার থেকে বিতরণ করা হয়।

এছাড়া ১৪ দলীয় জোট ও মহাজোটের শরীক দলগুলোর কাছে ইতোমধ্যে তাদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকাও হস্তান্তর করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা- 
রংপুর বিভাগ
অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩)।
রাজশাহী বিভাগ
শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), সাধনচন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), আবদুল মালেক (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মজিদ মন্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫)।
খুলনা বিভাগ
ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), মাহবুব-উল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), মাশরাফি বিন মুর্তজা (নড়াইল-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণচন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এসএম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪)।
বরিশাল বিভাগ
অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্রচন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন (পটুয়াখালী-৩), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস (বরিশাল-২), পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), জেবুন্নেছা আফরোজ (বরিশাল-৫), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২)।
ঢাকা বিভাগ
ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), খন্দকার আবদুল বাতেন (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), একেএম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (ঢাকা-১২), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৬), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), একেএম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪), লে. কর্নেল (অব) ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), একেএম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩)।
ময়মনসিংহ বিভাগ
মির্জা আজম (জামালপুর-৩), রেজাউল করিম হিরা (জামালপুর-৫), আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), একেএম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩)।
সিলেট বিভাগ
ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন (হবিগঞ্জ-৪), মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস (সিলেট-৩), ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), সৈয়দা সায়রা মহসিন (মৌলভীবাজার-৩)।
চট্টগ্রাম বিভাগ
নিজামউদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), ক্যাপ্টেন (অব) এবি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম (চাঁদপুর-২), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), এইচএম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), একেএম শাজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), সাইমুম সরওয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), শাহীনা আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি) ও বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (বান্দরবান)।

বাকী আসনগুলো শরীকদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।

Share:

Popular Posts

Labels

Like us Facebook page

Hire me for seo

  • I am professional seo expert at upwork.com
  • I will do only white hat seo
  • Digital Marketing

Total Pageviews