Tuesday, December 18, 2018

সবকিছুতেই এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ, ইমরান খানের আক্ষেপ

ইমরান খান
২০১৮ সালের আগস্টে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইমরান খান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েও বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছেন তিনি। বাংলাদেশের উন্নতির সঙ্গে নিজের দেশের উন্নতির তুলনা করে আক্ষেপ করে একবার ইমরান খান বলেছেন, সবকিছুতেই এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর দেয়া তার সেই বক্তব্যের ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) যখন আলাদা হয়েছিল আমাদের অনেকে বলেছিলেন, 'পূর্ব পাকিস্তান আমাদের জন্য বড় মাপের বোঝা হিসেবে ছিল।' নিজের কানেই আমি এসব শুনেছি। সেই পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) সবকিছুতেই এগিয়ে গেছে। তাদের দূরদর্শী চিন্তার জন্যই এটা হয়েছে। 
শুধু ইমরান খান নন, বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের উন্নতি নিয়ে প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ আলাদা হয়েছিল ১৯৭১ সালে। এ বিষয়টি উল্লেখ করে তারা বলেন, পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা নিয়ে রফতানিসহ বাংলাদেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে যেখানে যেতে পাকিস্তানের ১০-১২ বছর লাগবে। 

বিডি প্রতিদিন

Sunday, December 9, 2018

নৌকা নিয়ে লড়বেন ২৭২ জন



জোটসঙ্গীসহ আওয়ামী লীগ মোট ২৭২জনকে নৌকা প্রতীক দিয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা সবাই মাহজোটের প্রার্থী উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। বাকী আসনগুলোতে জোটের শরিকরা নিজ দলের প্রতীক নিয়ে লড়বেন।

আওয়ামী লীগের সাথে জোটগতভাবে নির্বাচনে যাওয়া জাতীয় পার্টির জন্য ২৬টি আসন ফাঁকা রেখেছে ক্ষমতাসীন দলটি। তবে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, মহাজোটের শরিক হিসেবে তাদের ২৯টি আসন ছাড়া হয়েছে।

রোববার নির্বাচন কমিশনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বাক্ষরে চিঠিতে দলের একক প্রার্থী ও তার শরিকদের নৌকা প্রতীক দিতে ২৭২ জনের তালিকা দেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগের ২৫৮ জনের পাশাপাশি ওয়ার্কার্স পার্টির পাঁচ, জাসদের তিন, তরিকত ফেডারেশনের দুই, বাংলাদেশ জাসদের এক ও বিকল্পধারার তিনজন নৌকা প্রতীকে ভোট করবেন। জোটের অন্য শরিক জাতীয় পার্টি (জেপি) দুইজন দলীয় প্রতীক ‘বাই সাইকেল’ নিয়ে ভোটে থাকছেন।

আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের মধ্যে ২৭৪ জনের তালিকা দেওয়ায় বাকি ২৬টি আসন থাকছে জাতীয় পার্টির জন্য। এসব আসনে মহাজোটের শরিক দলটির প্রতীক লাঙ্গলের জন্য একক প্রার্থী রাখা হতে পারে। সেক্ষেত্রে লাঙ্গল ছাড়া জোটের অন্য শরিক দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হতে পারে কিংবা দলীয়ভাবে ভোট করার ঘোষণা আসতে পারে।

এদিকে জাতীয় পার্টি ১৭৩ জনের তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২৯ আসনে মহাজোটের সাথে ভোট করবে তারা। বাকি আসনগুলো ‘উন্মুক্ত’ বিবেচনায় তাদের প্রার্থীরা ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রার্থীর পরিচয় প্রতীক দিয়ে। যে প্রতীকে ভোট করবেন, তিনি সংশ্লিষ্ট দলের। সে হিসাবে নৌকার প্রার্থী ২৭২ জন। বাকি ২৮টি আসনে জোটগতভাবে ভোট করতে হবে আওয়ামী লীগকে।

নির্বাচনে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি দলীয় ও তাদের জোটসঙ্গী দলগুলোর নেতাদের মিলিয়ে ২৯৮ জনকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের জন্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে।

বিএনপির নতুন-পুরনো জোটসঙ্গী মিলিয়ে সব দল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করলেও একমাত্র এলডিপির অলি আহমদ নিজ দলের প্রতীক ‘ছাতা’ নিয়ে ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন।

এছাড়া কক্সবাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর নেতা হামিদুর রহমান আযাদ বিএনপির সমর্থন পাচ্ছেন। ধানের শীষের ২৯৮ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি নেতা রয়েছেন ২৪২ জন। এর বাইরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলোর ১৯ জন, জামায়াতে ইসলামী বাদে ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর ১৬ জন এবং জামায়াতের ২২ জন নেতা রয়েছেন।

পাঁচ বছর আগের দশম সংসদ নির্বাচন বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট বর্জন করে।

তার আগে ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ২৬৪ আসনে একক প্রার্থী দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় পার্টি প্রার্থী দিয়েছিল ৪৯ আসনে।

ওই নির্বাচনে ২৬০ আসনে একক প্রার্থী দেয় বিএনপি। বাকিগুলোতে জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের অন্য জোটসঙ্গীদের প্রার্থী ছিল।

(Daily naya diganta)


Sunday, December 2, 2018

প্রার্থী-বাতিল-৭৮৬-বৈধ-প্রার্থী-২২৭৯

প্রার্থী বাতিল ৭৮৬,  বৈধ প্রার্থী ২২৭৯ - সংগৃহীত

দু’হাজার ২৭৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে গণ্য হলেও ৭৮৬জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটাণিং কর্মকর্তারা। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ৩ হাজার ৬৫ জন ব্যক্তি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন গত ২৮ডিসেম্বর। আর রোববার যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াতে বিরাট ও রেকর্ড সংখ্যক ব্যক্তির মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে। 

বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা একে আলী আজম জানান, ঢাকা সিটির ১৫টি আসনে ৫২টি মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ১৬১টি মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষনা করা হয়। যেখানে ১৫টি সংসদীয় আসনে মোট ২১৩ জন প্রার্থীতার জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

তার দেয়া তথ্যানুযায়ী, ঢাকা-৪ আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বাতিলের তালিকায় নাম রয়েছে গণফোরাম প্রার্থী নজরুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আওলাদ হোসেনের নামও।

ঢাকা-৫ আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বাতিল করা হয় বিএনপির প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়াসহ তিন জনের মনোনয়নপত্র। এ আসনে একজনের মনোনয়ন স্থগিত হয়েছে।

ঢাকা-৬ আসনে ১৩ জনের মধ্য ১০ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন। তবে বাতিল হয়ে গেছে ৩ জনের মনোনয়নপত্র।

ঢাকা-৭ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ১৯ জনের মধ্যে ১৪ জনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোাষণা হয়েছে। বাতিল হয়েছে বিএনপির প্রার্থী দলটির সাবেক নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তারসহ ৪ জনের প্রার্থীতা।

ঢাকা-৮ আসনে মোট ২২ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের মধ্যে বিএনপির মির্জা আব্বাস, মহাজোটে রাশেদ খান মেননসহ ১৪ জনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। বাতিল হয়েছে ৭ জনের।

ঢাকা-৯ আসনে মোট ১০ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের মধ্যে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসসহ তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। বাকিদের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষিত হয়েছে। এ আসনে ৮০টি মামলা নিয়ে নির্বাচনে লড়বেন বিএনপির অপর প্রার্থী হাবিবুর রশিদ।

ঢাকা-১০ আসনে মোট ৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে ঋণখেলাপীর অভিযোগে গণফোরাম প্রার্থী খন্দকার ফরিদুল আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। আর এনবিআরে ৩ হাজার টাকা বকেয়া থাকায় জাতীয় পার্টি প্রার্থী হেলাল উদ্দিনের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়।

ঢাকা-১১ আসনে ১১ জন তাদের মনোনয়ন দাখিল করলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান মিয়ার হলফনামায় ভুল থাকায় তার প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। বাকিদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা-১২ আসনে মোট ৮ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। এ আসনে ২৬৭টি মামলা নিয়েও বৈধতা পেয়েছেন সাইফুল আলম নিরব এবং ৭২টি মামলা নিয়ে উতরে গেছেন আনোয়ারুজ্জামান। একইভাবে ঢাকা-১৩ আসনে মোট ১২ জন প্রার্থীর সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়

ঢাকা-১৪ আসনে মোট ১৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। ঋণখেলাপী ও হলফনামায় ভুল তথ্য দেয়ার অভিযোগে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিকসহ ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ আসনে ১৪টি মামলা নিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য বৈধতা পেয়েছেন বিএনপি নেতা মুন্সি বজলুল বাসিদ আনজু ও ৬টি মামলা নিয়ে আছেন বিএনপির আরেক নেতা সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক।

ঢাকা-১৫ আসনে মোট ১৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে ১৩ জনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। ঋণখেলাপীর অভিযোগে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুকুল আমিনসহ তিন জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

ঢাকা-১৬ আসনে ১৯ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের মধ্যে ঋণখেলাপী, হলফনামায় তথ্য ভুল থাকায় গণফোরামের প্রার্থী খন্দকার ফরিদুল আকবর, বিএনপির প্রার্থী একে মোয়াজ্জেম হোসেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আমানত হোসেনসহ ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

ঢাকা-১৭ আসনে মোট ২৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে ১৪ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বিএনপি প্রার্থী শওকত আজিজসহ ১১ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। সংশোধনের জন্য ২ জনের প্রার্থীতা স্থগিত করা হয়।

ঢাকা-১৮ আসনে মোট ১২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণ করা হয়।

ঢাকার ছয় জেলায় ১১৬টিই বাতিল হয়েছে। বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ৩৬৩টি মনোনয়নপত্র। তবে এখানে দাখিল ৪৭৭টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। ঢাকা অঞ্চলের মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি আসনে মোট ২৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে আটজনের মনোননয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। মুন্সিগঞ্জ জেলার তিনটি আসনে মোট ৩০জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ছয়জনের মনোননয়ন বাতিল করা হয়েছে।

ঢাকা জেলার ২০টি আসনে মোট ২৬৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ৭১ জনের মনোননয়ন বাতিল হয়েছে। গাজীপুর জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৪৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ১০ জনের মনোননয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

নরসিংদী জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৪৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে সাতজনের মনোননয়ন বাতিল করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৬১ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ১৪ জনের মনোননয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।


(copy: daily nayadiganta)

Monday, November 26, 2018

বেগম জিয়াকে দিয়ে শুরু বিএনপির চূড়ান্ত মনোননয়ন


একাদশ সংসদ নির্বাচনে কারাবন্দি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে তিন আসনে মনোনয়নের চিঠি হস্তান্তরের মধ্যে দিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীদের প্রত্যয়নপত্র দেওয়া শুরু করেছে বিএনপি। খালেদা জিয়া এবার মনোনয়ন নিয়েছেন ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসন থেকে।
বিকালে গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়নের চিঠি বিতরণের এই কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিনে বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে দলের সব প্রার্থীদের চিঠি দেয়া হয়েছে। অন্যান্য বিভাগের অনেক প্রার্থীও চিঠি সংগ্রহ করেছেন। আজ সারাদিন চিঠি প্রদানের এ কাজ চলবে।
প্রার্থী তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে- পুরনোদের প্রাধান্য দিয়েছে বিএনপি। এক্ষেত্রে ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি অধিকাংশ আসনেই বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে। বিকল্প প্রার্থীরা অধিকাংশই নতুন। কোন কারনে মূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেলে ‘ব্যাকআপ’ হিসেবে বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে বলে দলটির নীতি-নির্ধারকেরা জানিয়েছেন। কারাগারে কিংবা দেশের বাইরে থেকে দলের বেশ কিছু নেতা নির্বাচন করতে চাইলেও, তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে বিএনপির হাইকমান্ড তাদের প্রতি তেমন আগ্রহ দেখায়নি।
মনোনয়ন পেলেন যারা :
রংপুর বিভাগ: পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ/ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ/, জয়পুরহাট-১ ফয়সাল আলীম/ ফজলুর রহমান, জয়পুরহাট-২ আবু ইউসুফ খলিলুর রহমান/ গোলাম মোস্তফা।
দিনাজপুর-১ মঞ্জুরুল ইসলাম/মামুনুর রশিদ, দিনাজপুর-২ সাদিক রিয়াজ পিনাক/বজলুর রশিদ, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম /ডা. মাজহারুল ইসলাম দোলন, দিনাজপুর-৪ হাফিজুর রহমান সরকার /আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৫ রেজয়ানুল হক ও জাকারিয়া বাচ্চু, দিনাজপুর-৬ লুৎফর রহমান/ শাহিন।
রংপুর ১: মোকারম হোসেন সুজন, রংপুর ২ : ওয়াহেদুজ্জামান মামুন/ মোহাম্মদ আলী, রংপুর-৩: রিটা রহমান/মোজাফফর আহমেদ, রংপুর-৪: এমদাদুল হক ভরসা, রংপুর-৫: সোলাইমান আলম/ ডা. মমতাজ, রংপুর-৬: সাইফুল ইসলাম।
গাইবান্ধা-১ খন্দকার জিয়াউল ইসলাম/মোজাহারুল ইসলাম, গাইবান্ধা-২ মাহমুদুন্নবী টিটুল/আহাদ আহমেদ, গাইবান্ধা-৩ ডা. মইনুল হাসান সাদিক, গাইবান্ধা-৪ ওবায়দুল হক/ফারুক আলম, গাইবান্ধা-৫ হাছান আলী/ ফারুক কবীর।
কুড়িগ্রাম-১: সাইফুর রহমান রানা/ শামীম, কুড়িগ্রাম-২ সোহেল ও আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ তাসভীরুল ইসলাম / আব্দুল খালেক, কুড়িগ্রাম-৪ মোখলেছুর রহমান/ আজিজুর রহমান, লালমনিরহাট-৩ অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।

রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী-১: ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-২: মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩: মতিউর রহমান মন্টু, রাজশাহী-৪: শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫: আবু হেনা/ আবদুল গফুর, রাজশাহী-৬: নাদিম মোস্তফা/নজরুল মন্ডল, রাজশাহী-৭ : আবু সাঈদ চান।
সিরাজগঞ্জ -১ : কনক চাঁপা, সিরাজগঞ্জ-২ : ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু/রোমানা মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ-৩: আব্দুল মান্নান তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৫ : আমিরুল ইসলাম খান আলীম/ রাকীবুল করিম খান পাপ্পু, সিরাজগঞ্জহ-৬: ড. এম এ মোহিত।
নাটোর -১: তাইফুল ইসলাম টিপু/ অধ্যক্ষ কামরুন নাহার শিরীন, নাটোর-২ : রহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, পাবনা-৫ মোহাম্মদ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
নওগাঁ-১ সাদেক চৌধুরী/মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ : শামসুজ্জোহা / খাজা নাজিবুল্লাহ, নওগাঁ-৩ : রবিউল আলম বুলেট/আরেফিন সিদ্দিকী নওগাঁ-৪ : শামুসুল আলম প্রামাণিক ও ডা. ইকরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-৫ : জাহিদুল ইসলাম ধলু ও নাজমুল হক সনি, নওগা-৬ : আলমগীর কবীর/ রেজাউল ইসলাম রেজু।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শাহজাহান মিয়া/ বেলাল বাকী ঈদ্রিসী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আনোয়ারুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আবদুল ওয়াদুদ/ হারুনুর রশিদ।
বরিশাল বিভাগ :  বরগুনা- ১ : মতিউর রহমান তালুকদার, নজরুল ইসলাম মোল্লা, বরগুনা-২ : খন্দকার মাহবুব হোসেন ও নুরুল ইসলাম মনি।
পটুয়াখালী- ১ : আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২ : সুরাইয়া আখতার চৌধুরী, শহীদুল আলম তালুকদার, সালমা আলম, পটুয়াখালী-৩ গোলাম মাওলা রনি, হাসান মামুন, মো. শাহজাহান, পটুয়াখালী-৪ : এবিএম মোশাররফ হোসেন, মনিরুজ্জামান মুনির।
ভোলা-২ : হাফিজ ইব্রাহিম, রফিকুল ইসলাম মনি, ভোলা-৩ : হাফিজউদ্দিন আহমেদ, কামাল হোসেন, ভোলা-৪ : নাজিমউদ্দিন আলম, মো. নুরুল ইসলাম নয়ন।
বরিশাল ১ : জহিরউদ্দিন স্বপন, আবদুস সোবহান, বরিশাল-২ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, শহিদুল হক জামাল, বরিশাল-৩ : জয়নুল আবেদীন, সেলিমা রহমান, বরিশাল-৪ : মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, রাজীব আহসান, বরিশাল-৫: মজিবর রহমান সারোয়ার, এবাদুল হক চাঁন, বরিশাল-৬ : আবুল হোসেন, অধ্যক্ষ রশিদ খান।
ঝালকাঠি -১ : শাহজাহান ওমর, ঝালকাঠি-২ : রফিকুল হক জামাল, ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, জেবা খান।
পিরোজপুর : পিরোজপুর-৩ : রুহুল আমিন দুলাল, শাহজাহান মিলন।
অন্যান্য বিভাগে যাদের প্রার্থীতা চূড়ান্ত করা হয়েছে
চট্টগ্রাম : ফেনী-২ : জয়নাল আবেদীন ভিপি, নোয়াখালী-১ : ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২: জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩: মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৪ : বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৫: ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নোয়াখালী-৬: ফজলুল আজিম, লক্ষ্মীপুর-২: আবুল খায়ের ভুইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, লক্ষ্মীপুর-৪: আশরাফ উদ্দিন নিজান।
ঢাকা বিভাগ: ঢাকা-২ : আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা ৩ : গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ : সালাউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা -৫ : নবীউল্লাহ নবী, ঢাকা-৬: আবুল বাশার, ঢাকা-৮ : মির্জা আব্বাস , ঢাকা-১৩: আব্দুস সালাম, নরসিংদী-১ খায়রুল কবীর, নরসিংদী-৩ সানাউল্লাহ মিয়া।
সিলেট বিভাগে : সিলেট-২ : তাহসিনা রুশদির লুনা, মৌলভীবাজার-২ সুলতান মো. মনসুর আহমেদ।
খুলনা বিভাগ : ঝিনাইদহ-১: আসাদুজ্জামান আসাদ/ আব্দুল ওহাব, ঝিনাইদহ-২ : এ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ/ এসএম মশিউর রহমান, ঝিনাইদহ-৩ : মেহেদী হাসান রনি/মনির খান, ঝিনাইদহ-৪ : সাইফুল ইসলাম ফিরোজ/শহিদুজ্জামান বেল্টু।

Saturday, November 24, 2018

আওয়ামীলীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা



একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতত্বাধীন মহাজোটের প্রায় ৩০০ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থীদের মনোনয়নের চিঠিও দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার স্বাক্ষর করা মনোনয়ন চিঠি রোববার থেকে বিতরণ করা হয়।

এছাড়া ১৪ দলীয় জোট ও মহাজোটের শরীক দলগুলোর কাছে ইতোমধ্যে তাদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকাও হস্তান্তর করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা- 
রংপুর বিভাগ
অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩)।
রাজশাহী বিভাগ
শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), সাধনচন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), আবদুল মালেক (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মজিদ মন্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫)।
খুলনা বিভাগ
ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), মাহবুব-উল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), মাশরাফি বিন মুর্তজা (নড়াইল-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণচন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এসএম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪)।
বরিশাল বিভাগ
অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্রচন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন (পটুয়াখালী-৩), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস (বরিশাল-২), পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), জেবুন্নেছা আফরোজ (বরিশাল-৫), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২)।
ঢাকা বিভাগ
ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), খন্দকার আবদুল বাতেন (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), একেএম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (ঢাকা-১২), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৬), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), একেএম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪), লে. কর্নেল (অব) ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), একেএম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩)।
ময়মনসিংহ বিভাগ
মির্জা আজম (জামালপুর-৩), রেজাউল করিম হিরা (জামালপুর-৫), আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), একেএম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩)।
সিলেট বিভাগ
ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন (হবিগঞ্জ-৪), মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস (সিলেট-৩), ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), সৈয়দা সায়রা মহসিন (মৌলভীবাজার-৩)।
চট্টগ্রাম বিভাগ
নিজামউদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), ক্যাপ্টেন (অব) এবি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম (চাঁদপুর-২), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), এইচএম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), একেএম শাজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), সাইমুম সরওয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), শাহীনা আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি) ও বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (বান্দরবান)।

বাকী আসনগুলো শরীকদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।

Sunday, November 11, 2018

কী ঘটতে যাচ্ছে বাংলাদেশে


বাংলাদেশে ঠিক কী ঘটতে যাচ্ছে, আমরা তা ঠাহর করতে পারছি না। যারা আমার মতো বয়োবৃদ্ধ, তাদের মনে পড়ছে এই উপমহাদেশের দেশীয় রাজ্য কাশ্মির ও হায়দরাবাদের কথা। ব্রিটিশ শাসনামলে তদানীন্তন ভারতীয় উপমহাদেশে পাঁচ ভাগের দুই ভাগ ছিল, যাকে বলা হতো ‘দেশীয় রাজ্য’। এসব রাজ্য সরাসরি ব্রিটিশ শাসনের আওতায় ছিল না; ছিল দেশীয় শাসকদের নিয়ন্ত্রণে। তাদের মেনে চলতে হতো ব্রিটেনের সঙ্গে বিশেষ ধরনের চুক্তি, যাকে বলা হতো ‘বাধ্যতামূলক বন্ধুতা’।
এসব রাজ্যের কোনো স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ছিল না। সবচেয়ে বড় দু’টি দেশীয় রাজ্য ছিল কাশ্মির ও হায়দরাবাদ। এই হায়দরাবাদের শাসককে বলা হতো নিজাম। ১৯৪৭ সালে ব্রিটেন ভারত উপমহাদেশ ত্যাগ করে চলে যায়। তখন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট পাস করে Indian Independence Act। এতে বলা হয়, দেশীয় রাজ্যগুলো হয় পাকিস্তান, নয় ভারত রাষ্ট্রে যোগ দেবে। অথবা তারা ইচ্ছা করলে থাকতে পারবে স্বাধীন। কাশ্মির ছিল মুসলিমপ্রধান দেশীয় রাজ্য, যার রাজা ছিলেন ডোগরাভাষী হিন্দু। তিনি যোগ দেন ভারতে। অন্য দিকে, হায়দরাবাদের শাসক বা নিজাম ছিলেন মুসলমান।
কিন্তু হায়দরাবাদ ছিল হিন্দুপ্রধান দেশীয় রাজ্য। হায়দরাবাদের নিজাম থাকতে চাইলেন স্বাধীন। হায়দরাবাদের মানুষের ভাষা হলো অন্ধ্রের মতো তেলেগু। তবে হায়দরাবাদের রাজকার্য ও লেখাপড়া চলত উর্দু ভাষার মাধ্যমে। কাশ্মির ভারতে যোগদান করার পর কাশ্মিরের মানুষ বিদ্রোহ ঘোষণা করে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওয়াহেরলাল নেহরু কাশ্মির সমস্যাকে নিয়ে যান জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে। নিরাপত্তা পরিষদে বলা হয়, কাশ্মির সমস্যা সমাধান করা হবে গণ-অভিমত গ্রহণ করে যা আজ পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি।

কাশ্মিরের একটা অংশ স্বাধীন হয়ে যায়, যাকে এখন বলা হয় আজাদ কাশ্মির। বাকি অংশ থাকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত। কাশ্মিরের একটা জেলাকে বলা হতো লাদাখ। এটা একসময় ছিল তিব্বতের অংশ। এখানকার মানুষ দেখতে অবিকল তিব্বতিদের মতো। ধর্মে এরা হিন্দু নয়, শিখ নয়; লামা বৌদ্ধ। চীন ১৯৬২ সালে যুদ্ধ করে লাদাখ দখল করে নেয়। এর আয়তন হলো ১২ হাজার বর্গমাইল। অর্থাৎ বর্তমান কাশ্মির হয়েছে ত্রিধাবিভক্ত। ‘আজাদ কাশ্মির’ কার্যত যুক্ত হয়ে পড়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে। লাদাখ যুক্ত হয়ে পড়েছে চীনের তিব্বতের সঙ্গে। কাশ্মির ও জম্মু যুক্ত আছে ভারতের সঙ্গে। তবে কাশ্মিরবাসী মুসলমানরা চাচ্ছেন স্বাধীন হতে।

অন্য দিকে, হায়দরাবাদের নিজাম স্বাধীন থাকতে পারেননি। ভারত হায়দরাবাদ দখল করে নেয়। হায়দরাবাদ দখলের কথা আমার মনে আসছে, কারণ ভারতের বিজেপি নেতা এবং লোকসভার সদস্য সুব্রামোনিয়াম স্বামী হুমকি দিচ্ছেন বাংলাদেশকে দখল করে নেয়ার। বাংলাদেশ ভারত দিয়ে তিন দিক ঘেরা। ভারত তাই সহজেই বাংলাদেশে পাঠাতে পারে তার সৈন্য। আর বাংলাদেশ হায়দরাবাদের মতোই হয়ে পড়তে পারে ভারতের অধীন। কেবল তাই নয়, ভারতের আসাম প্রদেশ থেকে প্রায় ১৩ কোটি বাংলাভাষী মুসলমানকে বাংলাদেশের মধ্যে ঠেলে দেয়ার কথা হচ্ছে। এটা করলে বাংলাদেশে সৃষ্টি হবে বিরাট মানবিক বিপর্যয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব তখন পড়বে হুমকির মুখে।
ভারত ধনী দেশ নয়। ভারতের পত্রপত্রিকা খুললেই চোখে পড়ে, দেশটির অনেক অঞ্চলে অনেক কৃষক মারা যাচ্ছেন অনাহারে। তথাপি ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে এ বছর কিনল সাড়ে পাঁচ শ’ কোটি ডলারের অস্ত্রসম্ভার। প্রশ্ন উঠছে, ভারত এত অস্ত্র কিনছে কেন? এর একটা উদ্দেশ্য হতে পারে, বাংলাদেশ আক্রমণ করে তা দখল করা। তাই বর্তমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতিবিদদের প্রধান বিবেচ্য হওয়া উচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা। জাতীয় পর্যায়ে ভোট হলে আমরা তাতে অবশ্যই অংশ নেব। আমরা চাই, বাংলাদেশ একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হোক। কিন্তু বিদ্যমান অবস্থায় গণতন্ত্রই কেবল আমাদের ভাবনার বিষয় হতে পারে না। ভাবনার বিষয় হওয়া উচিত, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা। কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য উচ্ছ্বাসে মনে হচ্ছে, আমরা আমাদের রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের কথা যেন বিস্মৃত হতে চাচ্ছি। তাই আমার এ কথা মনে করিয়ে দেয়া।
১৯৯৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কাছে প্রস্তাব রেখেছিল ‘স্ট্যাটাস অব ফোর্সেস অ্যাগ্রিমেন্ট’ করার জন্য। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তি করতে চায়নি। এর কারণ ছিল, ভারত ও চীনকে অসন্তুষ্ট না করা। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বিশেষভাবে বদলে গেছে। ভারত হুমকি দিচ্ছে বাংলাদেশকে দখল করার। অন্য দিকে, মূল চীনের হান চীনারা আরম্ভ করেছে চীনের মুসলমানদের ওপর ভয়াবহ অত্যাচার। চীনে সাধারণত দুই ধরনের মুসলমান দেখতে পাওয়া যায়। এক ধরনের মুসলমানকে বলা হয় উইঘুর। অন্য ধরনের মুসলমানকে বলা হয় হুই। উইঘুর মুসলমানেরা তুর্কি মুসলিম বংশোদ্ভূত। এরা বাস করেন মহাচীনের সিংকিয়াং বা জিনজিয়াং প্রদেশে। এরা একসময় ছিলেন স্বাধীন। খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে চীনের একজন মাঞ্চু রাজা এই অঞ্চল দখল করেন। সেই থেকে এ অঞ্চল হতে শুরু করে মহাচীনের অংশ হিসেবে বিবেচিত।
চীনের হুই মুসলমানেরাও প্রধানত তুর্কি বংশোদ্ভূত। কিন্তু তারা স্বেচ্ছায় চীনে আসেনি। এদের পূর্বপুরুষকে মধ্য এশিয়া থেকে চেঙ্গিস খান ধরে আনেন চীনে দাস হিসেবে কাজ করার জন্য। ওদের সঙ্গে চীনাদের মিশ্রণ ঘটেছে। তবে হুইদের বংশধররা পছন্দ করেছেন মুসলিম ধর্ম বজায় রাখতে। সম্প্রতি মূল চীনারা প্রায় ১০ লাখ উইঘুর মুসলমানকে বন্দী করেছে। আর করছে তাদের ওপর পীড়ন (TIME, October 1, 2018, P-8)। বাংলাদেশ একটা মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। তুর্কি মুসলমানদের ওপর, তারা মুসলমান ও তুর্কি বলে মূল চীনারা অত্যাচার করবে, এটা বাংলাভাষী মুসলমানকে ক্ষুব্ধ না করে পারে না। কেননা, বাংলাভাষী মুসলমানদের মধ্যেও আছে মধ্য এশিয়া থেকে আগত তুর্কি মুসলমানদের প্রভাব। তাই এখন চীনের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা হ্রাস পাচ্ছে। আর তারা সরে যেতে চাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে।
এখন যদি স্ট্যাটাস অব ফোর্সেস অ্যাগ্রিমেন্টের অনুরূপ কোনো প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র প্রদান করে, তবে সেটা বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত হতেও পারে। সেটা তার জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই বিবেচিত হতে পারবে আবশ্যিক হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, রাশিয়া অথবা চীনের সঙ্গে হতে পারে তার একটা খুব বড় রকমের যুদ্ধ। তাই সে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে ‘মহাকাশ বাহিনী’ গড়ার। মনে করা হচ্ছে মহাকাশ যার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, পৃথিবীকে সে রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত করতে পারবে।
রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আর কেউ বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ায়নি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পক্ষে এসে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়া, চীন ও ভারত কার্যত এ ইস্যুতে মিয়ানমারকে সমর্থন জানাচ্ছে। এ জন্যও বাংলাদেশকে ক্রমেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে সরে যেতে হবে বলে মনে করা যায়। অনেকের ধারণা, মুসলমানেরা ধর্মান্ধ। কিন্তু মিয়ানমারের বৌদ্ধ ভিক্ষুরা কম ধর্মান্ধ নয়। তারা তাদের সরকারকে দিচ্ছে বিশেষভাবে সমর্থন। কিন্তু এ জন্য তাদের বলা হচ্ছে না, ‘বৌদ্ধ মৌলবাদী’; যদিও শব্দটা প্রয়োগ করলে তাদের ক্ষেত্রেও যে ভুল করা হয়, তা বোধহয় নয়। কথাগুলো আমার মনে পড়ছে, কেননা আমাদের দেশে একজন খ্যাতনামা নেতা হলেন বিখ্যাত চিকিৎসক বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, তিনি এমন কোনো দলের সাথে জোট বাঁধতে তিনি প্রস্তুত নন, যারা মুসলিম মৌলবাদকে সমর্থন করে। কিন্তু বাংলাদেশে কি প্রবল মুসলিম মৌলবাদী দল আদৌ আছে? বাংলাদেশের দু’টি বড় রাজনৈতিক দল, একটি হলো আওয়ামী লীগ আর একটি হলো বিএনপি। এরা কেউই মুসলিম মৌলবাদী দল নয়। তিনি এ দুই দলের সাথে জোট বাঁধবেন কি বাঁধবেন না, সেটা তার রাজনৈতিক ভাবনার ব্যাপার। কিন্তু তা বলে মুসলিম মৌলবাদের ভীতি ছড়িয়ে নিজেকে প্রগতিশীল প্রমাণ করার চেষ্টা বর্তমান পরিস্থিতিতে বাড়াবাড়ি মাত্র।
লেখক : প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট
(Copy dailynayadiganta)

খালেদা জিয়ার পক্ষে ৩টি আসনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

খালেদা জিয়ার পক্ষে ৩টি আসনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে তিনটি আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের মাধ্যমে বিএনপির মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু হয়।
ফেনী-১ আসনে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর পরে বগুড়া সদর-৬ আসনে খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এছাড়াও বগুড়া-৭ আসনের জন্য খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
মনোনয়নপত্র বিক্রির সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।
বিএনপির মনোনয়নপত্র বিক্রি উপলক্ষে আজ সকাল থেকেই প্রধান কার্যালয়ে ভিড় করেন নেতাকর্মীরা। বিএনপির কার্যালয় ঘিরে উৎসবমুখর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকার সম্ভাব্য প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র কিনতে এসেছেন।

২০ দলীয় জোটের যে আটটি দল ধানের শীষ প্রতীক চান

২০ দলীয় জোটের যে আটটি দল ধানের শীষ প্রতীক চান 
২০ দলীয় জোটের যে আটটি দল ধানের শীষ প্রতীক চান  - সংগৃহীত
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের সদস্য দলগুলোর মধ্যে নিবন্ধিত ৮টি দল ধানের শীষ প্রতীকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চায়।
রোববার ইসিতে বিএনপি মহাসচিব স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আর দলগুলো হলো, বিএনপি, এলডিপি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, জাগপা, বিজেপি, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম, খেলাফাত মজলিস। বিএনপির চেয়ারপার্সন উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য বিজন কান্তি সরকার চিঠি পৌছে দেন।

Friday, November 9, 2018

Niche Relevant Blog Commenting-Blog Comments Techniques

How to Build an Empire with Niche Relevant Blog Commenting
Nice relevant blog commenting
Hire me for Niche relevant blog comments 

I will do 100 Niche relevant blog comments for $50.

10 Insane (But True) Things About Blog Find Formulas

At first go to the Google and search using these quires.

keyword"Powered by blogger"
“Resources” + keyword;
“List” + keyword;
“Tips” + keyword;
“Inurl:links” + keyword;
“Useful resources” + keyword;
“Links” + keyword;
Keyword “Leave a comment”

Keyword “Comment here”

Keyword “Add comment”

Keyword “Powered by WordPress”

Keyword “You may use these HTML tags and attributes”

Keyword “Post a comment”

Keyword “Notify me of follow-up comments ”

Keyword “Notify me of new posts”

Keyword “Leave a Reply”

How Blog Comments Techniques Made Me a Better Person

Your keywords: seo hire me

Website/URL: www.seohireme.com

HTML Formula: <a href="website links">Keyword</a>

Go to your browser and type your relevant niche keyword " Powered by blogger" Then Enter press.
Then you see many blog lists for posting comments.

Example: Your keyword "powered by blogger"  Please follow the below Images 











This is blog comments methods

Free Web 2.0 Creations

50 Facts About Web 2.0 Creations That'll Keep You Up at Night
https://www.admitad.com/en/promo/?ref=44p1u7p3b9
web 2.0 creations

We will create 50 web 2.0 links for $150

We will be responsible for filling out 4 things:
1. Keyword in URL
2. Business Name
3. Business Description
4. Back link on newly created URL

What Everyone Is Saying About Here is Web 2.0 Lists
  1. https://wordpress.com
  2. https://www.blogger.com/
  3. https://www.smashwords.com/
  4. https://plus.google.com/
  5. http://tiredofflyingsolo.com/
  6. http://disqus.com/
  7. https://issuu.com/
  8. https://www.coursera.org/
  9. https://www.behance.net
  10. http://www.openstreetmap.org/
  11. http://wix.com/
  12. https://www.facebook.com/
  13. http://jimdo.com
  14. weebly.com
  15. https://academia.edu/
  16. https://activerain.com
  17. https://en.gravatar.com/
  18. https://mix.com/
  19. https://www.ted.com/
  20. https://soundcloud.com/
  21. https://www.toolbox.com
  22. http://www.silverstoregames.com
  23. https://myspace.com/
  24. http://tumblr.com/
  25. https://keep.com
  26. http://webmii.com/
  27. https://github.com/
  28. https://www.goodreads.com/
  29. https://amara.org/
  30. yemle.com
  31. http://www.magcloud.com
  32. http://www.sbnation.com/
  33. http://about.me/
  34. http://www.plurk.com/
  35. https://vimeo.com
  36. http://www.everytrail.com/
  37. http://visual.ly/
  38. https://ask.fm
  39. http://www.bookcrossing.com/
  40. https://www.quora.com/
  41. http://livejournal.com/
  42. http://deviantart.com/
  43. http://rhizome.org/
  44. http://orcid.org/
  45. https://www.storeboard.com/
  46. https://stocktwits.com/
  47. https://twitter.com/
  48. https://growthhackers.com/
  49. https://trello.com/
  50. http://www.purevolume.com/

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি – BCC Job Circular 2018

Bangladesh Computer Council Job Circular 2018

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) দুর্গম এলাকায় তথ্যপ্রযুক্তি নেটওয়ার্ক স্থাপন (কানেক্টেড বাংলাদেশ) প্রকল্পে ৩ টি ক্যাটাগরিতে  ৪৩ জনকে নিয়োগ দেবে। পদগুলোতে নারী ও পুরুষ উভয়ই প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।
পদের নাম : সহকারী নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার/সহকারী মেইন্টেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার
পদ সংখ্যা :
 ৪০ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা : কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং/ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং/ আইসিটি/ সমমানের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী।
বয়স : ১৮-৩০ বছর।
পদের নাম : হিসাবরক্ষক
পদ সংখ্যা :
 ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা : হিসাব বিজ্ঞান স্নাতক/ আইসিএমএ অথবা সিএ কোর্স সম্পন্ন সহ ইন্টারনেট ই-মেইল আদান প্রদান, এম এস ওয়ার্ড, এম এস এক্সেল ও পাওয়ার পয়েন্ট এ দক্ষতা থাকতে হবে।
বয়স : ১৮-৩০ বছর।
পদের নাম : অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদের সংখ্যা :
 ০২টি
শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্নাতক ডিগ্রী
অন্যান্য যোগ্যতা : ওয়ার্ড প্রসেসিং, ডাটা এন্ট্রি এবং টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে ২০
বয়স : ১৮-৩০ বছর
আবেদনের সময়সীমা: ২৬ নভেম্বর ২০১৮ মধ্যে আবেদন করতে হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে http://erecruitment.bcc.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে ।

Bangladesh Power Development (BPDB) Board Job Circular 2018

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-চাকুরীর বিজ্ঞপ্তি



Pharmasia Limited Job Circular 2018

Pharmasia Limited Job Circular-pharmasia.com.bd
Pharmasia Limited Job Circular 2018 has been published by their authority in daily online job portal and to get from the best jobs and education portal website in BD Jobs Careers- www.bdjobscareers.com.  Well, we share the company details, the Pharmasia Limited is a private organization that produces various types of products for the people. Good News is that recently the company looking new job holder for the position of various positions. So, if you are interested in private organization jobs in Bangladesh we think the Pharmasia Limited Job Circular 2018 is a good one for any job seekers. For your advantage, we have already given this job all of the necessary details such as published date, application deadline, job circular image, educational qualification, applying procedure and more. So let’s check and if you think you are the right person for that job, please to submit your application in specific time.
■    Origination Name: Pharmasia Limited
■    Post Position: See Job Circular Image.
■    Published Date:  09 November 2018
■    Application Deadline: See the job circular
■    Experience Requirements: See Job Circular Image.
■    Educational Qualification: See Job Circular Image.
■    Salary Range: Attractive salary for the deserving candidate
■    Age of Limit: N/A
■    No. of Vacancies: N/A
■    Type of Jobs: Private Company Job
■    Job Category: Full Time
■    Other Benefits: As per Company Policy
■    Job Location: Dhaka
■    Job Source: online job portal
■  Apply Instruction: Follow Job Circular Image.
See Pharmasia Limited Job Circular 2018

Wednesday, November 7, 2018

পকেট মারের খপ্পরে এইচ টি ইমাম, খোয়া গেল আইফোন!

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম
কলকাতায় আইসিসিআইর সেমিনারে যোগ দিতে কলকাতায় গিয়ে পকেটমারের শিকার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম। এ সময় এতে খোয়া গেছে কিছু জরুরি কাগজপত্রসহ তার ব্যক্তিগত আইফোন। ঘটনায় কলকাতার বেনিয়াপুকুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন কলকাতায় বাংলাদেশ চ্যান্সেরি বি এম জামাল হোসেন।
জানা গেছে, ১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার হো-চি-মিন সরণির আইসিসিআইর গ্যালারিতে ‘আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনার প্রধান বক্তা হিসাবে যোগ দিতে রোববার দুপুরেই কলকাতায় পৌঁছান এইচ টি ইমাম। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বিমানবন্দরে নেমে সোজা চলে যান ধর্মতলার হোটেল কক্ষে। সেখানে গিয়েই তিনি টের পান তার জরুরি কাগজপত্র ফোন হারানোর বিষয়টি।
তবে তিনি ‘পকেটমারের শিকার’ হয়েছেন নাকি হারিয়ে ফেলেছেন তা জানা যায়নি। পরে অতিথির মোবাইল সেট ও কাগজপত্র হারানোর বিষয়টি সোমবার অনুষ্ঠান স্থলে সাংবাদিকদের জানানো হয়।
দায়িত্বশীল সূত্রে খবর, এইচটি ইমামের সঙ্গে আসা সফরসঙ্গীরা আশঙ্কা করছেন যে মোবাইল ফোনটি সম্ভবত বিমান থেকেই কেউ ‘পিক পকেট’ করে দিয়েছে। তবে ফোন খোয়া যাওয়ার ঘটনায় ফোনে থাকা তথ্য চুরি যেতে পারে বলে উদ্বিগ্ন গোয়েন্দারা।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) বিএম জামাল হোসেন বলেন, ‘মোবাইল খোয়া যাওয়ার বিষয়টি লিখিতভাবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।’

(বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম)

সংলাপ নিস্ফল, তবুও বিএনপি যে নিশ্চয়তায় নির্বাচনে যেতে রাজি



জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে হতাশ হয়েই ফিরতে হয়েছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপে। বিরোধী জোটের নির্দলীয় ১০ উপদেষ্টা নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব ক্ষমতাসীনরা নাকচ করে দেয়। সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেয়া এবং সরকারের মেয়াদের পরবর্তী তিন মাসে নির্বাচনের প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়নি৷ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি আদালতের দোহাইয়ে এড়ানো হয়েছে। সংলাপে কেবল বিরোধী দলের মামলা-গ্রেফতার বন্ধের বিষয়ে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে সংলাপ থেকে ঐক্যজোটের প্রাপ্তি প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে৷
সংলাপ নিয়ে হতাশা আর অসন্তুষ্টি যাই থাকুক না কেন, ঐক্যফ্রন্টের বড় শরিক বিএনপি এখন পর্যন্ত নির্বাচন বর্জনের কথা ভাবছে না। নির্বাচন নিয়ে বিএনপির ইতিবাচক ভাবনা প্রভাবিত করছে ঐক্যফ্রন্টের অন্য দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের।
সংলাপের পর ঐক্যফ্রন্ট নেতারা আনুষ্ঠানিক, অনানুষ্ঠানিক এবং ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছেন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে৷ তাদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে ‘অফ দ্য রেকর্ড’ নানা তথ্য। ঐক্যফ্রন্টের অধিকাংশ নেতা মনে করছেন, সমঝোতার পথ এখনও রুদ্ধ হয়নি। সরকারের সঙ্গে ছোট আকারে আবারও সংলাপ হবে বলে আশাবাদি তারা৷ সেই প্রস্তুতিও রয়েছে তাদের মধ্যে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংলাপে অংশ নেওয়া ঐক্যফ্রন্টের প্রথমসারির এক নেতা জানিয়েছে, সংলাপে প্রধানমন্ত্রীর বেশ কয়েকটি প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি তারা৷ এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতির একটা প্রশ্ন ছিল, তিনি পদত্যাগ করার পর নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান বা প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন? সবার কাছে গ্রহণযোগ্য কোনো নাম বলতে শেখ হাসিনাকে বলতে পারেননি ঐক্যজোটের কোনো নেতা।
বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,২০১৪ সালে নির্বাচন বর্জন করে রাজনীতিতে কোনঠাসা হয়ে পড়া দলটি এবার আর ভুল করতে রাজি নন। নির্বাচনে অংশ নিতে এতোটাই মরিয়া তারা যে, নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হলে এবং প্রার্থী ও তার সমর্থকদের গ্রেফতার-মামলায় হয়রানি বন্ধের নিশ্চয়তা পেলেই ভোটের মাঠে নামতে রাজি তারা। বিএনপি নেতাদের আরেকটি বড় চাওয়া হলো, ভোটাররা যাতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে বিনা বাধায় ভোট দিতে পারেন৷বিএনপির নেতাদের এই চাওয়াটাই প্রতিধ্বণি তুলেছে ঐক্যফ্রন্টে।
সংলাপে সরকারের পক্ষ থেকেসভা সমাবেশ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে৷ কিন্তু সরকারের মৌখিক আশ্বাসে ফ্রন্ট নেতাদের আস্থা নেই, তারা চান কার্যকর পদক্ষেপ। বিএনপির শীর্ষনেতারা জানিয়েছেন, দলীয় ফোরামে নির্বাচন বর্জন নিয়ে এখন আর আলোচনা হচ্ছে না৷ আলোচনা হচ্ছে, কোন কোন নিশ্চয়তা পেলে এবং কিভাবে কতটুকু ছাড় দিয়ে বিএনপি নির্বাচনে যাবে৷ এসব বিষয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপির নেতারা। দলীয় কৌশল আর পরিকল্পনা নিয়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের মতামত জানতে শিগগিরই ২০ দলীয় জোটের অন্য নেতাদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের যৌথ বৈঠক আহ্বানে প্রস্তাব দেবে বিএনপি।৷
বুধবার সংলাপ শেষে বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসায় ব্রিফ করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে ড. কামাল হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, সাত দফা নিয়ে সীমিত পরিসরে আলোচনা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা প্রত্যাহার ও ভবিষ্যতে আর মামলা দায়ের না করা এবং নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার না করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন। রাজনীতি কোন দিকে যাচ্ছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কামাল হোসেন বলেন, আমরা তো চেষ্টা করে যাচ্ছি যে একটা স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে সবকিছু হোক। দায়িত্ব তো সরকারের, বল সরকারের কোর্টে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওই ব্রিফিংয়ে বলেন, আমরা আন্দোলনে আছি। সংলাপ আমাদের আন্দোলনেরই অংশ। যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত। সরকার যদি তা না চায়, তার দায়ভার তাদের। আমরা আমাদের দাবিগুলো নিয়ে জনগণের কাছে যাচ্ছি।দ্বিতীয় সংলাপে অর্জন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, পাওয়ার ব্যাপারটা রিলেটিভ। আমাদের দাবি দাওয়া নিয়ে সরকারের কাছে গিয়েছি। সরকার বলেছে, ভবিষ্যতে এগুলো নিয়ে তারা আলোচনা করে দেখতে পারে, সুযোগ আছে আলোচনার । সেটা তো থাকবেই। আমরা আমাদের দাবি নিয়ে জনগণের কাছে যাচ্ছি। এ দফা সংলাপে সন্তুষ্ট কি না, জানতে চাইলে বলেন, জনগণকে দিয়েই সন্তোষ আদায় করব।
(বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম)

আজ সন্ধ্যায় তফসিল ঘোষণা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন। এদিন বেলা ১১টার দিকে সিইসির ভাষণ রেকর্ড করবে বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতার। পরে সন্ধ্যা ৭টায় রেডিও ও টেলিভিশনে একযোগে সেই ভাষণ প্রচার করা হবে।
জানা গেছে, সিইসি তার ভাষণে আগামী নির্বাচনে সব দলকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাতে পারেন। এছাড়া বর্তমান কমিশনের সফলতা, নির্বাচন নিয়ে ইসির দৃঢ়তা, নির্বাচন উপলক্ষে নেয়া গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথাও জানাবেন সিইসি।
এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত সংলাপের ফলাফল জানাতে সংবাদ সম্মেলন করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তবে তফসিল ঘোষণার কারণে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার (৭ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ও জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তার আগে সকালে নির্বাচন কমিশন সভায় তফসিলের বিষয়ে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

(বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম)

শেখ হাসিনার ৫ প্রশ্নেই ফেল করলেন ড. কামাল!


প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে রীতিমতো ধরাশায়ী হলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী ড. কামাল হোসেন। প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রশ্নের একটিরও উত্তর দিতে পারলেন না এই সংবিধান বিশেষজ্ঞ। বুধবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার সংলাপে রীতিমতো নকআউট হন ড. কামাল হোসেন। অথচ কদিন আগেই তিনি বলেছিলেন ‘এক মিনিটেই’ তিনি সংকটের সমাধান দিতে পারবেন। কিন্তু আজ প্রধানমন্ত্রী পাঁচ প্রশ্নের একটিরও সদুত্তর দিতে পারেননি ড. কামাল। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নগুলো ছিল এরকম:
১. জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট দাবি করে সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নির্বাচন করতে হবে। এই দাবির বিপরীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ড. কামাল হোসেনের কাছে জিজ্ঞেস করেন ‘আপনি তো ৭২ এর সংবিধানের প্রণেতা। ৭২ সংবিধানে কি সংসদ ভেঙ্গে নির্বাচনের বিধান ছিল?’ এর জবাবে ড. কামাল ছিলেন নিশ্চুপ।
২. জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে দ্বিতীয় দাবি ছিল, নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার। সংবিধানের ১২৩ (খ) প্রয়োগ করে, সংসদ ভাঙার ৯০ দিন পর নির্বাচনের দাবি উত্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ প্রসঙ্গে আবার ড. কামাল হোসেনের কাছে জানতে চান, সংসদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। সংসদ এখন নিষ্ক্রিয়। এখন কোনো সাংবিধানিক বিধানে সংসদ ভাঙা যায়?’ ড. কামাল এ প্রশ্নের উত্তরে মাথা নিচু করে থাকেন।
৩. জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে তৃতীয় দাবি ছিল প্রধানমন্ত্রী থাকবে। কিন্তু ১০ সদস্যের একটি উপদেষ্টামণ্ডলী দেশ চালাবে। প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞেস করেন, এই উপদেষ্টামণ্ডলী কারা ঠিক করবে? উত্তরে ড. কামাল বলেন, আমরা সবাই মিলে ঠিক করবো। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের কাছে জানতে চান, আমাদের সংবিধানে কোথায় আছে এরকম উপদেষ্টাদের দিয়ে দেশ চালানো যায়? এবারও নিরুত্তর ড. কামাল হোসেন।
৪. জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয়, বেগম জিয়াকে যেন নির্বাচনের আগে জামিন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের কাছে জানতে চান, ‘রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ কি একজনকে আটক ব্যক্তিকে জামিন দিতে পারে?’ তিনি জিজ্ঞেস করেন, ‘এটা কি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে?’ এবারও ড. কামাল নিশ্চুপ থাকেন।
৫. জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দেওয়ার দাবি জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি দেওয়া সংবিধানের পরিপন্থী কিনা? এবারও ড. কামাল মাথা নিচু করেন।
প্রধানমন্ত্রীর যুক্তির কাছে, প্রজ্ঞার কাছে এভাবেই ধরাশায়ী হন ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্ট। প্রধানমন্ত্রী তাদের বলেন, ‘আপনারা সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আমি সাধারণ মানুষ। আমাকে যুক্তি দিয়ে বোঝান, সংবিধানসম্মত সব দাবি আমি মেনে নেবো।’

(বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম)

সংলাপে ঐক্যফ্রন্টকে কঠোর হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর



নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করা হলে তা সফল হতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ চলাকালে তিনি একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সবাইকে নিয়ে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই। দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে আওয়ামী লীগই। তাই আমরা চাই, নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করুক। এজন্য আমরা অনেক ছাড় দিচ্ছি। কিন্তু সংলাপের আড়ালে কেউ যদি নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করে সে ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না। অন্তত আমি বেঁচে থাকতে এই ষড়যন্ত্র সফল হতে দেব না।’
প্রধানমন্ত্রী ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনারা যদি অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান, জনগণের অধিকারের নির্বাচন চান সেটি আলাদা কথা। কিন্তু আপনাদের যদি অন্য মতলব থাকে তাহলে সেই মতলব ঝেড়ে ফেলুন। আমি বেঁচে থাকতে সেই মতলব সফল হতে দেব না।’
গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার সংলাপ শুরু হয় বেলা সোয়া ১১ টায়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুপুর ১টার দিকেও সংলাপ চলছিল।

(কপি অনলাইন ডেস্ক)

Thursday, November 1, 2018

Government Medical College & Hospital

BD Government Medical College & Hospital

The Next 3 Things To Immediately Do About IN BANGLADESH, MEDICAL EDUCATION AT THE GRADUATE LEVEL IS PROVIDED BY MEDICAL COLLEGES. THE COLLEGES ARE UNDER THE JURISDICTION OF THE MINISTRY OF HEALTH, AND ARE AFFILIATED WITH A UNIVERSITY ON THE RESPECTIVE REGION. LIST OF GOVERNMENT MEDICAL COLLEGES HAVE GIVEN BELOW.SOME OF THEM HAVE WEBSITE AND SOME OF THEM DON'T HAVE WEBSITE.


SL.NO. This Week's Top Stories About Government Medical College & Hospital
1 Armed Forces Medical College, Dhaka
2 Barisal Medical College
3 Begum Khaleda Zia Medical College
4 Chittagong Medical College
5 Comilla Medical College
6 Dhaka Medical College
7 Dinajpur Medical College
8 Faridpur Medical College
9 Khulna Medical College
10 Mymensingh Medical College
11 Rajshahi Medical College
12 Rangpur Medical College
13 Rangpur Dental College
14 Shaheed Zia Medical College, Bogra
15 Sir Salimullah Medial College
16 Sylhet Medical College