Wednesday, October 31, 2018

Google Search Strings


How to find guest posting

GOOGLE SEARCH STRINGS Is Bound To Make An Impact In Your Business.

Your Niche or Keyword “guest post”
Your Niche or Keyword “write for us”
Your Niche or Keyword “guest article”
Your Niche or Keyword “this is a guest post by”
Your Niche or Keyword “contributing writer”
Your Niche or Keyword “want to write for”
Your Niche or Keyword “submit blog post”
Your Niche or Keyword “contribute to our site”
Your Niche or Keyword “guest column”
Your Niche or Keyword “submit content”
Your Niche or Keyword “submit your content”
Your Niche or  Keyword “submit post”
Your Niche or Keyword “This post was written by”
Your Niche or Keyword “guest post courtesy of ”
Your Niche or Keyword “guest posting guidelines”
Your Niche or Keyword “suggest a post”
Your Niche or Keyword “submit an article”
Your Niche or Keyword “contributor guidelines”
Your Niche or Keyword “contributing writer”
Your Niche or Keyword “submit news”
Your Niche or Keyword “become a guest blogger”
Your Niche or Keyword “guest blogger”
Your Niche or Keyword “guest posts wanted”
Your Niche or Keyword “looking for guest posts”
Your Niche or Keyword “guest posts wanted”
Your Niche or Keyword “guest poster wanted”
Your Niche or Keyword “accepting guest posts”
Your Niche or Keyword “writers wanted”
Your Niche or Keyword “articles wanted”
Your Niche or Keyword “become an author”
Your Niche or Keyword “become guest writer”
Your Niche or Keyword “become a contributor”
Your Niche or Keyword “submit guest post”
Your Niche or Keyword “submit an article”
Your Niche or Keyword “submit article”
Your Niche or Keyword “guest author”
Your Niche or Keyword “send a tip”
Your Niche or Keyword inurl: “guest blogger”
Your Niche or Keyword inurl: “guest post”
Your Niche or allintitle: Your Keyword + guest post

Tuesday, October 30, 2018

Free quality seo approved guest posting

Organic Search engine optimization Services: Locate the best post guest opportunities.
seo guest posting

Guest posting is a powerful way to get back-links and build your online reputation. This strategy opens an entirely new world for you or your site with regards to traffic and exposure. It's a win for the site host and the guest poster, the blog host gets distinctive content and the guest poster gets exposure. But, you cannot post content on any site. It's essential that you write articles for top quality sites which are related to your market and get targeted traffic. With a couple of advanced search questions you can find several sites where you could post fresh content. 

Google is your friend. In addition, whether you've a well established website and know some individuals in your niche, ask them if you can guest post on their sites. With regards to finding the best guest article chances, your network can be a powerful ally. There's not any doubt that this will be the first way to begin growing your audience and establish your online presence. Join a guest. There are many on-line communities that connect the guest bloggers with individuals looking for fresh content. These sites enable submit an application or provide to compose content for other websites. You could find some fantastic article opportunities in blog directories. 

You've pages after pages of sites in all markets. All you need to do would be to get those which are related to your topic, assess their popularity and rankings, and contact their owners. You'll find a wide audience of bloggers looking for your services. Many webmasters use Twitter to detect guest article opportunities. This social networking platform allows you to find a high ranking, exceptionally followed sites where one can compose articles in exchange for a backlink. You may also use Twitter to find key factors in the niche and declare your intention to compose a post on their sites. 

Among the best ways to locate blogs applicable to your niche would be to look over your competitors backlink profile. If they've been guest web blogging as a link building strategy, you'll be capable of making a list of sites that accept articles by simply assessing their profiles. Whenever you write on other sites, you may use the resource box to publicize your desire to guest article. Do not forgets to use Facebook and Google++ to finding relevant blogs. Hiring digital assistants may help you promote your site and reach a broader audience.

What Everyone Is Saying About Here is Most Popular Guest Lists

Thursday, October 25, 2018

ঘুমের সমস্যা ও প্রতিকার

ঘুমের সমস্যা ও প্রতিকার - ছবি : সংগৃহীত

নিদ্রাহীন রাত নিয়ে যতই কাব্য, গান আর রোমান্স থাকুক না কেন, বাস্তব ক্ষেত্রে পরপর কয়েক দিন ‘আঁখিপাতে’ ঘুম না থাকলে আতঙ্ক হয়, শারীরিক, মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়তে হয়। নিজের ওপর আস্থা হারিয়ে যায়। তখন যেকোনোভাবে একটু ঘুমই শুধু কাম্য হয়ে ওঠে।

জীবনের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি সময় আমরা ঘুমাই। বয়স অনুযায়ী অবশ্য ঘুমের একটা স্বাভাবিক ছন্দ আছে। শিশুরা খুব বেশি ঘুমায়। বয়সের সাথে সাথে ঘুমের এই সময়সীমা কমে যায়। বৃদ্ধরা স্বাভাবিকভাবেই কম ঘুমান। আসলে শারীরবৃত্তীয় প্রয়োজনের ওপরই নির্ভর করে ঘুমের এই মাপ। তবে খুব কম বা খুব বেশি ঘুম কোনোটাই স্বাভাবিক নয়। চিকিৎসাশাস্ত্র মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের চার থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম স্বাভাবিক এবং ছয় থেকে সাত ঘণ্টা হলো আদর্শ। দেখা গেছে, যারা ৯ ঘণ্টা বা তারও বেশি ঘুমান, তাদের মধ্যে বিভিন্ন অসুখের প্রবণতা বেশি। সুতরাং বয়স অনুপাতে ঠিক সময় ঘুমই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

ইনসোমনিয়া আসলে কী
ঘুম ও স্বপ্ন চিরকালই মনোবিজ্ঞানীদের কৌতূহলের বিষয়। বিজ্ঞানীদের মতে, ঘুমের মধ্যে দুই ধরনের দশা থাকে। একটিকে বলা হয় ‘আরইএস বা র‌্যাপিড আই মুভমেন্ট দশা’ আরেকটিকে বলা হয় ‘এনআরইএস বা নন-র‌্যাপিড আই মুভমেন্ট দশা’। এক ঘুমের মধ্যেই এই দু’টি দশা ঘুরেফিরে চলতে থাকে। আরইএস দশায় শরীরে গরম বেশি লাগে, পালস রেট ও রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এই দশাতেই মানুষ স্বপ্ন দেখে। এটিকে বলা হয় পাতলা ঘুমের স্তর। এনআরইএস দশায় মানুষ গভীরভাবে ঘুমায়।
ইনসোমনিয়াকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে ০১. ইনিশিয়াল বা প্রাথমিক ইনসোমনিয়া : যাদের ঘুম আসতে দেরি হয় বা অসুবিধা হয়। ০২. মিডল ইনসোমনিয়া : যাদের ঘুম বারবার ভেঙে যায় এবং ০৩. টারমিনাল ইনসোমনিয়া : যাদের ঘুম তাড়াতাড়ি ভেঙে যায়।

আর যাদের সব অসুবিধাই আছে, তাদের ক্ষেত্রে বলে গ্লোবাল ইনসোমনিয়া।
চিকিৎসা : ইনসোমনিয়া যে কারণে হয়েছে, তার চিকিৎসাই প্রথমে করা হয়। তা ছাড়া ইনসোমনিয়ার জন্য আলাদা করে কিছু বিশেষ ওষুধ দেয়া হয়। কোনো কোনো রোগী অবশ্য শুধু ইনসোমনিয়ার চিকিৎসাই করাতে চান, কিন্তু সে ক্ষেত্রেও রোগীর কেস হিস্ট্রি নিয়ে বিচার-বিবেচনা করতে হয়। ইনসোমনিয়ার রোগীর চেহারায় একটা অবসাদ, ক্লান্তিভাব আসে। অনেক সময় রোগী নিজেই ঘুমের ওষুধ নিয়ে থাকেন। এর ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে। নিচের নিয়মগুলো মেনে চললে উপকার পেতে পারেন :
* বিছানা শুধু ঘুমের জন্যই নির্দিষ্ট করে রাখুন। বিছানায় বসে টিভি দেখা, আড্ডা দেয়া, খাবার খাওয়া বন্ধ করুন।

* খালি পেটে কখনো শুতে যাবেন না। তবে রাতে গুরুভোজ করবেন না। বেশি ভরা পেটে শুতে যাওয়াও ঠিক নয়। আবার খেয়েই সাথে সাথে শুয়ে পড়াও অনুচিত। খাওয়া ও শোয়ার মধ্যে সময়ের ব্যবধান রাখুন।
* শোয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন। দুধে থাকে ট্রিপটোফ্যান, যা আপনাকে ঘুমাতে সাহায্য করবে।
* নিয়মিত গোসল ও শুতে যাওয়ার আগে আরামবোধ করলে ঘাড়ে, মুখে ও পায়ে পানি দিয়ে মুছে নিতে পারেন।
* ঘুমাতে যাওয়ার সময় সারা দিনের ক্লান্তি, বিপর্যয় বা উত্তেজনার কারণগুলো নিয়ে চিন্তা করবেন না।
* খুব বেশি উত্তেজিত হয়ে বিছানায় যাবেন না।
* ঘুমের আগে কোনো ভারী কাজ বা অত্যধিক মাথার কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
* প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করুন।
* দুপুরের ঘুম আপনার শুধু কর্মক্ষমতাই কমায় না, আপনার রাতের ঘুমও নষ্ট করে। অতএব, এটি বাদ দিন।

* ঘুমাতে যাওয়ার আগে সিগারেট, তামাক, চা, কফি না খাওয়াই ভালো।
* দু-এক দিন ঘুম না হলেই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবেন না। তবে নিয়মিত না হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
লেখিকা : অধ্যাপিকা, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা।

Monday, October 22, 2018

বেসরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন চালু হচ্ছে আগামী বছর থেকে


আগামী বছর থেকে বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পেনশনব্যবস্থা চালু হচ্ছে। এ জন্য গঠন করা হবে একটি ‘কন্ট্রিবিউটরি পেনশন ফান্ড’। এই ফান্ডে বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীরা তাদের বেতনের একটি অংশ জমা রাখবেন। একই ফান্ডে অংগ্রহণ থাকবে এসব চাকরিজীবীর নিয়োগ কর্তাদেরও। এ জন্য গঠন করা হবে একটি সার্বজনীন ‘পেনশন কর্তৃপক্ষ’। ইতোমধ্যে এই পেনশন ব্যবস্থার একটি রূপরেখার খসড়া প্রণয়নের কাজ প্রায় শেষ করে আনা হয়েছে বলে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। 
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা গত সপ্তাহে এই প্রতিবেদকে বলেছেন, একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে এই ফান্ডের একটি রূপরেখা প্রণয়নের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এই রূপরেখা প্রণয়ন হলে তা অনুমোদনের জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। এরপরই উদ্যোগ নেয়া হবে এ ব্যবস্থা চালুর। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছর থেকে সীমিত পর্যায়ে হলেও বেসরকারি খাতে পেনশনব্যবস্থা চালু করা হবে। 
তিনি বলেন, এই পেনশন কন্টিবিউটরি ফান্ডে বেসরকারি খাতে কর্মরত একজন চাকরিজীবী তার বেতনের একটি অংশ প্রদান করবেন। ফান্ডে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীদের নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানও অবদান রাখবেন। এই ফান্ডটির পুরোটি নিয়ন্ত্রণে থাকবে সরকারের হাতে। এখানে সরকারি চাকরিজীবীদের ভবিষ্যৎ পেনশনের অর্থও জমা থাকবে। সরকারি-বেসকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এটি একটি ‘সার্বজনীন ফান্ড’ হবে। সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীরা এই ফান্ডে একটি ‘কোড’ নাম্বারের বিপরীতে অর্থ জমা রাখবেন। তারা চাকরি পরিবর্তন করলেও কোড নাম্বারের কোনো পরিবর্তন হবে না। অবসর নেয়ার পর রূপরেখা অনুযায়ী এই কোডের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পেনশন পাবেন।
এই ফান্ডের টাকা সরকার বিভিন্ন লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করে মুনাফা করবে এবং এই মুনাফার অর্থ ফান্ডে অংশ নেয়া চাকরিজীবীরাও পাবেন। তবে কাউকে বাধ্য করা হবে না এই ফান্ডে অংশগ্রহণের জন্য। বেসরকারি উদ্যোক্তারা এ জন্য কোনো কর রেয়াত পাবেন কি নাÑ এ প্রশ্নের জবাবে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তা-‘না’ সূচক জবাব দেন। 
বেসরকারি খাতে পেনশন পদ্ধতি চালুর বিষয়ে ২০১৪ সালের ৬ এপ্রিল এনজিও প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় প্রথম কথা বলেছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এর পর ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যেও এ বিষয়ে তার কথা থাকে। অর্থমন্ত্রীর মতে, নগরায়নের কারণে একক পরিবারের সংখ্যা বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যতে তাদের আর্থিক ও সামাজিকভাবে নিরাপত্তাহীন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। সরকারের একার পক্ষে এ ঝুঁকি মোকাবেলা করা দুরূহ। তাই দেশের সব শ্রমজীবী মানুষ প্রবীণদের জন্য একটি সার্বজনীন ও টেকসই পেনশন পদ্ধতি চালু এখন সময়ের দাবি।
চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের বলেছেন ‘এখন থেকে আর কাউকে তার পেনশনের হিসাব করা, পেনশন নেয়াÑ এগুলো চিন্তাভাবনা করতে হবে না। ইট ইজ ইন কিপিং উইথ দ্য ফিলোসফি অব দ্য স্টেট। কারণ, এখন ফিলোসফি হলো যত সিটিজেন আছে সবাইকে একটা সুযোগ করে দিতে হবে। এটা ইউনিভার্সেল পেনশন, যেটা আমরা মোর অল লেস কমিটেড, যেকোনো সময় হয়তো সেটা হবে। তিনি বলেন, দেশের পেনশন ব্যবস্থার সর্বশেষ সংস্কার হয়েছিল ১৯৮৩ সালে। আজ যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা যুগান্তকারী। এখন থেকে পেনশন উঠাতে ছোটাছুটি করতে হবে না।
মুহিত বলেন, ‘এ জন্য আগামী বাজেটে আই অ্যাম থিঙ্কিং অ্যান্ড অ্যানাউন্সিং। আমরা পেনশন সিস্টেমের যেটা করলাম, এটা নিয়ে দেশের প্রত্যেক নাগরিক বেনিফিটেড হবে। কারণ জাতীয় পেনশন পদ্ধতিতে সবাইকে ইনকরপোরেট করা হবে। ১৬ কোটি মানুষ উড বি ইনকরপোরেটেড ইন দ্য ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম।’
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো আগেও বলেছি আমরা চিন্তা করছি, পেনশন সিস্টেম ফর দ্য হোল ন্যাশন। আমি সেটার রূপরেখাটা অ্যানাউন্স করব। এটা ইন্ট্রোডিউস হবে না ইমিডিয়েটলি, বাট উই স্যাল অ্যানাউন্স দ্য আউটলাইন অব দ্য ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম। এটা নিয়ে আমাদের এখানে কাজ হচ্ছে।’
সে সময় তৎকালীন অর্থসচিব মুসলিম চৌধুরী বলেন, ‘ইউনিভার্সেল পেনশন সিস্টেমের জন্য ইনস্টিটিউশন তৈরি করতে হবে। ফরমাল ও ইনফরমাল পেনশনের জন্য রেগুলেটরি অথরিটি লাগবে। অর্থমন্ত্রী এবার বাজেটে এটার রূপরেখা দেবেন।

(কপি: নয়াদিগন্ত)

সেঞ্চুরি করে যে বার্তা দিলেন ইমরুল

অনেক দিন এমন দুর্দান্ত একটি ইনিংস খেললেন ইমরুল কায়েস। সে সাথে কি নির্বাচকদের কাছে একটি বার্তাও দিয়ে রাখলেন এই বামহাতি ওপেনার। ১০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার কিন্তু; এখনো জাতীয় দলে আসন পাকা করতে পারেননি। প্রায়ই বাজে ফর্মের কারণে ছিটকে যেতে হয় দল থেকে। তবে পরিশ্রমী ইমরুল কায়েস বারবারই ফিরে এসেছেন। তবুও জাতীয় দলে ওপেনারের সঙ্কট রয়েই গেছে।

তামিম ইকবালের একজন স্থায়ী ওপেনিং পার্টনারের খোজে অনেক দিন নির্বাচকরা। কিন্তু সেই জায়গাটিতে কেউ স্থায়ী হতে পারছেন না। বর্তমানে যারা এই পজিশনটির জন্য বিবেচনায় রয়েছেন তাদের মধ্যে ইমরুল কায়েস কায়েসই সবচেয়ে অভিজ্ঞ। তামিমের সাথে সাম্প্রতিক ওপেনারদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে বেশিবার জুঁটি বেঁধেছেন। তবুও তিনি আস্থার প্রতীক হতে পারছেন না সব সময়। যে কারণে সাম্প্রতিক সময়ে লিটন দাসকে তামিমকের সঙ্গী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এশিয়া কাপের দলে শুরুতে ইমরুলের জায়গা হয়নি; তার বদলি হিসেবে ওপেনার হিসেবে নেয়া হয়েছিলো লিটনকে। ফাইনালে সেঞ্চুরি করে লিটন দাস নিজের দাবি আরো জোরালো করেছেন। তবে এশিয়া কাপে মাঝপথে উড়ে গিয়ে আর মিডল অর্ডারে খেলতে নেমে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ইমরুল খেলেন ম্যাচ বাঁচানো ইনিংস। ক্যারিয়ারে প্রথমবার ছয়ে ব্যাট করে ইমরুল খেললেন অপরাজিত ৭২ রানের ইনিংস, দলকে যা গড়ে দিল জয়ের ভিত্তি। তার ক্যারিয়ার পেল নতুন প্রাণ।

আর এবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই দারুণ সেঞ্চুরিতে ইমরুল কায়েস জানান দিলেন- তিনি এখনো প্রস্তুত তামিম ইকবালের সঙ্গী হতে। এত সহজে যে কাউকে জায়গা ছেড়ে দেবেন না ইমরুল সেটি স্পষ্ট হলো তার রোববারের ইনিংসে।

এশিয়া কাপের ফাইনালে লিটন দাস যে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছেন তাতে তামিম ইনজুরিতে না পড়লে হয়তো ইমরুলের খেলাই হতো না আজকের ম্যাচে। দলে থাকার পরও একাদশে থাকবেন কিনা সেটি নিয়ে সংশয় ছিলো। কারণ অনেকেই ভেবেছেন টিম ম্যানেজমেন্ট হয়তো তরুণ নাজমুল হোসেন শান্তকে যাচাই করতে পারে হোম সিরিজে। তবে শেষ পর্যন্ত সুযোগটা পেলেন ইমরুল কায়েস।

আর সেই সুযোগটা কী দরুণ ভাবেই না কাজে লাগালেন ইমরুল! ১৪০ বলে ১৪৪ রান, ১৩ চার ও ৬ ছক্কা। তার চেয়ে বড় কথা দল যখন খাদের কিনারে, এক পাশ দিয়ে ব্যাটসম্যানরা যখন আশা যাওয়ার মিছিলে, তখন তিনি এক প্রান্তে ছিলেন অবিচল।

বিপর্যয়ের মধ্যে খেলেছেন ধৈর্য্য ধরে, পাশাপাশি রান রেটও ঠিক রেখেছেন। মুশফিক, মিথুন আর সাইফউদ্দিনকে নিয়ে গড়েছেন তিনটি দারুণ জুটি। এদিন ইমরুলের ব্যাটে ছিলো আত্মবিশ্বাসের ছোয়া। যেন পণ করেই নেমেছিলেন দলকে বড় স্কোর এনে দিবেন।

তাই আগামী দিনে তামিম ইকবালের সঙ্গী হিসেবে যে লড়াই চলবে সেখানে নিজের দাবিটা আবারো জোরালো করে তুললেন ইমরুল তার পারফরম্যান্স দিয়ে। নির্বাচক কাছে স্পষ্ট বার্তাই পাঠালেন এদিন ব্যাট হাতে।

Wednesday, October 17, 2018

DV-2019 Program: Online Registration

DV-2019 Program: Online Registration
DV Lottery 2019 Bangladesh Application Form Download

USA DV Lottery 2019 Bangladesh application form. The registration for DV Lottery 2019 opened on 1st October 2019. The entries should be submitted at the the US Department of State website from 1st October 2019 afternoon till 3rd November 2019 afternoon EST.

Those applicants who have qualified are strongly recommended for registering as soon as possible. System delays could occur due to heavy demand in the registration period’s last day.


1. To be Eligible to enter the Green Card Lottery you must be a native of a qualifying country

To qualify for the USA Diversity Visa Lottery, you must be a foreign citizen or national not born in the United States of America, from a country with a low immigration rate to the United States. People born in countries with high US immigration are excluded from this immigration program. Please see the table below, for countries whose natives are currently excluded from this years immigration lottery program. Please note, eligibility is determined only by the country of your birth, it is not based on country of citizenship or current residence. This is the most common misperception that applicants make when entering this immigration program.

2. Education or Work experience that qualifies for entry into the Green Card Lottery

For a foreign citizen or national not born in the United States of America to qualify for the USA Diversity Visa Lottery, the applicant must be born in a qualifying country (see requirement 1. above) and in addition, the applicant must comply with one of the following two requirements (Option 1 or Option 2 below):

OPTION 1:
The applicant must have completed a US High School education or a foreign equivalent of a US High School education. “High School education or its equivalent” means the successful completion of a twelve year course of elementary and secondary education in the United States of America or successful completion in another country of a formal course of elementary and secondary education comparable to completing a 12 year education in the USA. Passage of a high school equivalency examination is not sufficient. It is permissible to have completed one’s education in less than twelve years or greater than twelve years if the course of study completed is equivalent to a US High School education; or

Proof that you satisfy these requirements should NOT be submitted when entering the USA Diversity Visa Lottery, but will be requested by a consular officer after your name has been selected in the draw and you formally apply for your permanent residence (Green Card) visa via the three immigration forms that you will receive, if selected. Individuals who do not meet the two requirements outlined above, should not apply for a permanent resident card in this immigration program, since they will be disqualified. You need to provide proof of education, work experience and native country only if you are selected. For this reason we do not request this documentation in the online application form.

If you do not qualify to enter the USA Diversity Visa Lottery you could apply for a Danish Green card that will allow you to work and settle any where in the European Union (EU).

Migrants are allowed to immigrate to Denmark under a renewable 3 years Danish Green Card for the purpose of finding work. Note, this is not a lottery, but eligibility is determined by qualifications only. If you meet the eligibility Evaluation criteria, you can file your application with the Danish Government and receive your Danish Green Card. A Danish Green Card allows you to live and work in any EU country of choice for three years. This is an excellent opportunity for any professional looking for a career and life in the EU, since many EU countries companies are facing shortages in qualified employees

প্রতিদিন কয়টি ডিম খাবেন?

প্রতিদিন কয়টি ডিম খাবেন? - ছবি : সংগৃহীত

সবাই বলে ডিম খাওয়া উচিত। গবেষণা অনুসারে ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, সেই সঙ্গে রয়েছে প্রোটিন এবং আরো এমন অনেক উপকারী উপাদান, যা শরীরের প্রতিটি অংশকে শক্তিশালী করে তুলতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। ফলে ডিমে খেতেই হবে। তবে ইচ্ছা হলে চিকিৎসেকর পরামর্শও নিয়ে নিতে পারেন!

নিয়মিত ডিম খাওয়া শুরু করলে সাধারণ যে যে উপকারগুলো মেলে, সেগুলো হলো...

১. পেশির ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত ডিম খাওয়া শুরু করলে শরীরে প্রোটিনের মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে পেশির ক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। এই কারণেই তো যারা নিয়মিত শারীরিক কসরত করেন, তাদের ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

২. ভাবী মায়েদের জন্য উপকারী : প্র্যাগন্যান্সির সময় অনেক মায়ের শরীরেই নানাবিধ রোগ বাসা বেঁধে বসে। তবে এমনটা হওয়া থেকে মায়ের শরীরকে বাঁচানো যায় কিন্তু, যদি নিয়মিত ডিম খাওয়া যায় তো। আসলে বেশ কিছু স্টাডি অনুসারে ভাবী মায়েরা যদি প্রতিদিন ডিম খান, তাহলে তাদের শরীরে স্পাইনা বিফিদা নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে কোনো রোগই মায়ের শরীরের ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না, বিশেষত কনজেনিটাল ডিসেবেলিটির মতো সমস্যা দূরে থাকে। সেই সঙ্গে বাচ্চার শরীরও চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ডিমের অন্দের উপস্থিত সেলেনিয়াম দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটা শক্তিশালী করে তোলে যে, কোনো ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়, সেই সঙ্গে ছোট-বড় কোনো রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।
ব্রেকফাস্টে যদি একটার জায়গায় দুটি করে ডিম খাওয়া যায়, তাহলে বেশি উপকার মেলে।

৪. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : শুনতে আজব লাগলেও একথা ঠিক যে প্রতিদিনের ডায়েটে ২-৩টি ডিম জায়গা করে নিলে শরীরে এত মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রবেশ ঘটে যে তার প্রভাবে ত্বকের ভেতরে জমে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা সব বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যখন শক্তিশালী হয়ে ওঠে তখনও কিন্তু ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। আর যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে নিয়মিত ২-৩টি করে ডিম খাওয়া শুরু করলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে উঠতে সময় লাগে না।

৫. প্রোটিনের ঘাটতি মেটে : ডিমে উপস্থিত অ্যালবুমিন নামে এক ধরনের প্রোটিন পেশির গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এনার্জি বৃদ্ধির পাশাপাশি শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্যও সকাল সকাল ডিম খাওয়াটা জরুরি।
যারা সকালে নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তারা ডিম খেতে ভুলবেন না যেন! এমনটা করলে দেখবেন একাধিক রোগ আপনার ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না।

৬. ওজন কমতে শুরু করে : একেবারেই ঠিক শুনেছেন। ডিম খেলে ওজন বাড়ে না। বরং কমে! পেনিংটন বায়োমেডিকাল রিসার্চ সেন্টারের করা এক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে সকাল সকাল ডিম খেলে দিনের অনেকটা সময় পর্যন্ত ক্ষিদে পায় না। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে শরীরে মাত্রাতিরিক্ত ক্যালরি জমার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। ফলে স্বাভাবিকবাবেই ওজন কমতে শুরু করে। তাই যারা ওবেসিটির সমস্যায় ভুগছেন, তারা নিয়ম করে ব্রেকফাস্টে ডিম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।
পোচ অথবা সেদ্ধ ডিম খাওয়ার চেষ্টা করবেন। তাতে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

৭. এনার্জির ঘাটতি দূর হয় : সকাল ঘুম থেকে ওঠার পর ঠিক কোনো জিনিসটার বেশি করে প্রয়োজন পরে বলুন তো? এনার্জির! একেবারেই ঠিক। তাই তো সকালেই একটা ডিম সেদ্ধ খেয়ে নিতে হবে। তাহলেই দেখবেন ক্লান্তি তো দূর হবেই, সেই সঙ্গে কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে। আসলে ডিমে উপস্থিত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান নিমেষে দেহের প্রয়োজনীয় জ্বালানির চাহিদা পূরণ করে। ফলে শরীরের চনমনে হয়ে উঠতে একেবারে সময়ই লাগে না।

৮. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : বুদ্ধির জোর বারাতে কে না চায় বলুন! আপনিও যদি সেই দলে থাকেন, তাহলে কাল সকাল থেকেই ডিম খাওয়া শুরু করুন। আসলে ডিমে উপস্থিত বেশ কিছু পুষ্টিকর উপাদান মস্তিষ্কের ক্ষমতা মারাত্মক বাড়িয়ে দেয়। ফলে একদিকে যেমন বুদ্ধির বিকাশ ঘটে, তেমনি স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগও বৃদ্ধি পায়।
ডিমে কোলিন নামে একটি উপাদান থাকে, যা এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৯. খিদে মেটে : ব্রেকফাস্টে দুটো ডিমের অমলেট বা পোচ খেয়ে দেখুন তো কী হয়! দেখবেন দুপুরের আগে ক্ষিদে পাওয়ার নামই নেবে না। তাই যাদের সকাল সকাল অফিসে বেরতে হয়, তারা ব্রেকফাস্ট না করার পরিবর্তে দুটি ডিম সেদ্ধ খেয়ে বেরিয়ে পরুন। তাহলেই দেখবেন কেল্লাফতে! এমনটা করলে শরীরের অন্দরে ভাঙন তো ঘটবেই না, উল্টে ক্ষিদের জ্বালা কমবে এবং পুষ্টির ঘাটতি দূর হবে।

১০. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে : ডিমে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, লুটিন এবং জিয়েক্সসেনথিন নামে বেশ কিছু উপকারি উপাদান দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ছানি হওয়ার আশঙ্কাও কমায়।

ক্যান্সার প্রতিরোধে এই সবজিগুলো খান

বাঁধাকপি ক্যান্সার প্রতিরোধে বেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে - সংগৃহীত

ক্যান্সার একটি মারাত্মক ঘাতক ব্যাধি। আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডঐঙ) ক্যান্সার প্রতিরোধ নানামুখী পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছেই। প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ লোক ক্যান্সারে মারা যাচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের ধারণা, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। দুর্ভাগ্যের বিষয়, এই রোগীর সংখ্যার বেশির ভাগই হবে অনুন্নত দেশে। আমাদের দেশের জন্য এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এক পরিস্থিতি।

বেশ কিছু উপাদানকে ক্যান্সারের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ ধরনের উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১. বংশগত অর্থাৎ ত্রুটিপূর্ণ জিন; ২. পরিবেশগত কারণ; ৩. ধূমপান; ৪. খাদ্যদ্রব্য ও খাদ্যে ভেজাল, যেমন- ম্যাইক্রোটনিকস ও নাইট্রোসামাইনস; ৫. আয়োনাইজিং রেডিয়েশন; ৬. বিভিন্ন ওষুধের প্রতিক্রিয়া; ৭. মদপান; ৮. পেশাগত কারণ; ৯. রাসায়নিক এবং ১০. ভাইরাসজনিত কারণ প্রভৃতি।

ইমিউনোথেরাপি ক্যান্সার চিকিৎসার এক নতুন সম্ভাবনা। প্রাণঘাতী এ রোগ প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্থাৎ ইমিউনোথেরাপির কাছে বলা যায় পুরোপুরি পরাজিত। এ পদ্ধতিতে ক্যান্সারের অস্বাভাবিক কোষকে ধ্বংস করতে আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে কাজে লাগানো হয়। এটি দু’ভাবে কাজ করে। প্রথমত, এটি দেহের স্বাভাবিক ইমিউনিটিকে আরো শক্তিশালী করে। দ্বিতীয়ত, ক্যান্সার সেলের লুকিয়ে থাকার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

বিভিন্ন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম ক্যান্সার কোষ শনাক্ত করতে পারে। আর আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় থাকা বিভিন্ন ডায়েট ক্যান্সার প্রতিরোধে আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেমকে ইতিবাচক ত্বরান্বিত করে। নিয়মিত ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় ক্যান্সার অনেকটাই প্রতিরোধ করা যায়। ক্যান্সার নিয়ে সমগ্র বিশ্বে বহু গবেষণা করা হয়েছে। তা ছাড়া ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার রিসার্চ ফান্ড ও দ্য আমেরিকান ইনস্টিটিউট ফর ক্যান্সার রিসার্চের অর্থায়নে খাদ্য, পুষ্টি ও ক্যান্সার প্রতিরোধ শীর্ষক গবেষণায় বলা হয়, দৈনিক প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি ও ফলমূল খেলে মুখ, গলা, খাদ্যনালী, ফুসফুস, পাকস্থলী, অন্ত্রনালী, অগ্ন্যাশয়, মূত্রাশয়, পিত্তথলি, স্তন, বায়ুপথ ও স্বরযন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ও খাদ্যদ্রব্য (ডায়েট) রয়েছে, যা খেলে প্রাকৃতিকভাবেই ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়। তা ছাড়া এগুলো ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি রোধ করে। সেই সাথে এগুলো ক্যামোথেরাপির ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে দেহকে রক্ষা করে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো-

১. টমেটো : টমেটোতে রয়েছে প্রচুর লাল রঞ্জক উপাদান লাইকোপেন, যা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। ক্যান্সার প্রতিরোধক উপাদান হিসেবে এটি বহুল পরিচিত। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত টমেটোর সস খান, তাদের প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ কমে আসে।

২. বাঁধাকপি : বাঁধাকপিও ক্যান্সার প্রতিরোধে বেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। বাঁধাকপিতে ইনডোলস নামক ক্যান্সার প্রতিরোধক উপাদান থাকে। বাঁধাকপিতে বিদ্যমান জেনিস্টেন নামক উপাদান স্তন, প্রস্টেট ও মস্তিষ্ক ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। মলদ্বারের ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য বাঁধাকপি খুবই উপকারী সবজি। এ ছাড়াও বিভিন্ন শাকসবজি খেলে মুখ, গলা ও খাদ্যনালীর ক্যান্সার প্রতিরোধ হয়। ফুলকপি, বাঁধাকপি, শালগম, ব্রকলি ও সরিষা শাকও ক্যান্সার বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধক। অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে, শাকসবজি পাকস্থলী ও মূত্রথলি ক্যান্সার প্রতিরোধক। শিম, বরবটি ও মটরশুঁটি বেশি পরিমাণে খেলে স্তন ক্যান্সার কম হয়।

৩. হলুদ : হলুদ অন্যতম একটি ক্যান্সার প্রতিরোধক মসলাজাতীয় খাদ্য। যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৭ সালে হলুদ (কুরকুমিন) ও ক্যামোথেরাপি দিয়ে অন্ত্রের ক্যান্সারের তুলনামূলক চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল এবং তাতে ক্যান্সার কোষ নিধনে ক্যামোথেরাপির চেয়ে হলুদই বেশি কোষ ধ্বংস করে বলে ফলাফলে দেখা যায়। অন্য এক গবেণায় দেখা যায়, ল্যাবরেটরিতে প্রাণীদেহে ব্রেস্ট ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধি বন্ধ করে। সম্প্রতি ১৬টির অধিক ক্লিনিক্যাল স্টাডি রিপোর্টের ভিত্তিতে জানা যায়, হলুদ প্রস্টেড, ব্রেস্ট, কোলন ও অস্টিওসারকোমা রোগে আশানুরূপ কার্যকর।

৪. বিটা-ক্যারোটিন : ক্যান্সার প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’ এবং বিটা-ক্যারোটিনের ওপর সবচেয়ে বেশি গবেষণা হয়েছে। দেহে দীর্ঘ দিন ভিটামিন ‘এ’র অভাব থাকলে ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ শাকসবজি যেমন- গাজর, টমেটো, লালশাক, পুঁইশাক, পালংশাক, কলমিশাক, ডাঁটাশাক, মিষ্টিকুমড়া, কচুশাক, লাউশাক ইত্যাদি রেইন বো ভেজিটেবল তথা রঙিন শাকসবজিও ভিটামিনের উৎস হিসেবে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।

সতর্কতা : ক্যান্সারের ঝুঁকিগুলোর মধ্যে ধূমপান, পান-জর্দা-তামাকপাতা খাওয়া, সবজি, ফলমূল ও আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া, শারীরিক ব্যায়াম না করা, শারীরিক স্থূলতা বা বেশি ওজন, আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি, এক্স-রে রেডিয়েশন, কিছু রাসায়নিক পদার্থ যেমন- কিছু কিছু ভাইরাস বা অন্যান্য জীবাণুঘটিত ক্রনিক রোগের অবস্থা। তাই এগুলো বিশেষ বিবেচনায় এনে এড়িয়ে চলা উচিত।

স্বাস্থ্যসহকারী পদে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞাপ্তি

এইচ.এস.সি পাশের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্যাণ মন্ত্রনালয়ে স্বাস্থ্যসহকারী পদে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞাপ্তি








Apply Online


বিস্তারিত জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন
http://dghsp.teletalk.com.bd/home.php

Thursday, October 11, 2018

CHCP Result



GOVT. OF THE PEOPLES REPUBLIC OF BANGLADESH
Community Based Health Care (CBHC), DGHS
Recruitment Teast-2018
Post : Community Health Care Provider (CHCP)
Roll Number:
1000057 1000075 1000079 1000087 1000090 1000092 1000102 1000114 1000131
1000143 1000157 1000165 1000180 1000220 1000231 10002s6 1000262 1000270
LOOO276 LOOO279 1000328 1000334 1000399 1000414 1000416 LOOO422 1000426
LOOO427 LOOO444 1000448 1000453 1000455 1000457 1000458 1000468 1000469
1ooo475 1oOO511 1oOO524 1oOO529 1000532 1000534 1000538 1000545 1000550
1000559 1000571 1000573 1000579 1000591 1000599 1000606 1000617 1000622
1000623 1000626 1000639 1000650 1000552 1000658 1000669 1000579 1000699
1000713 LOOO723 1000732 1000756 1000759 1000779 1000788 1000804 1000812
1ooo828 1oOO833 1000836 1000847 1000857 1000867 1000888 1000891 1000910
1000917 1000922 1000933 1000934 1000945 1000948 1000949 1000966 1000967
1ooo987 1000991 1000997 1000998 1001010 1001058 1001066 1001070 1001071
t0o1o88 1001098 1001113 1001123 1001129 1001150 1001152 1001166 1001170
tooLtTT 1001179 1001180 1001181 LOOL207 1001208 1001211 1001245 1001258
1001268 1001283 1001306 1001315 1001319 1001324 1001329 1001336 1001346
1001351 1001366 LOOL374 1001375 1001379 1001382 1001403 1001404 1001410
1001414 1001425 1001428 1001431 1001434 1001436 1001450 1001451 tOOt457
1oot458 1001452 LOOL472 1001483 1001484 1001499 1001501 1001536 1001538
1001545 1001553 1001575 1001586 1001587 1001588 1001591 1001598 1001599
1001600 1001605 1001613 1001616 1001517 1oot623 1001632 1001645 LOOL647
10016s3 1001668 1001675 1001684 1001708 1001715 LOOLTLT 1001719 1001736
1oo174t LOO1746 1001750 LOOL770 1001794 LOOL797 1001810 1001811 1001836
1001837 1001846 1001851 1001852 1001858 1001860 1001892 1001902 1001919
1001929 10ol93o 1001934 1001935 1001944 tOO1949 1001952 1001978 1001989
1002013 1oo2o19 1002029 1002039 tOO2067 1002085 1002088 1002091 1002103
1002120 1002121 LOO2L27 1002156 1002159 1002163 1002166 LOO2L73 1002191
1002201 too2202 1002203 ,.00222t tOO2226 LOO2232 1002315 1002316 LOO2324
1002332 1002337 1002358 1002383 1002384 1002393 1002406 1002526 1002562
1002571 tOO2624 1002682 1002595 1002710 LOO274L LOO2770 LOO2775 1002832
1002903 LOO2949 1002998 1003006 1003007 1003016 1003022 1003069 1003072
1003082 1003085 1003087 1003090 1003092 1003118 1003128 1003130 1003136
1003137 1003139 1003143 1003158 1003164 1003167 1003170 1003171 1003178
1003181 1003184 1003192 1003197 1003229 1003234 1003239 1003245 1003254

বিস্তারিত আরো দেখুন    http://www.communityclinic.gov.bd/

Monday, October 8, 2018

ইয়াবা পরিবহন-সেবনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ইয়াবা পরিবহন-সেবনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড


ইয়াবা পরিবহন-সেবনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নতুন ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’ এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকটির সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’ আইনটি অনুমোদনের কথা গণমাধ্যমকে জানান।
নতুন আইন সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী পাঁচ গ্রামের বেশি ইয়াবা পরিবহন, মজুদ, বিপণন ও সেবনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ২৫ গ্রামের বেশি হেরোইন, কোকেনসহ সমজাতীয় মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তিও মৃত্যুদণ্ড। এছাড়াও ইয়াবা, শিসাবার ও ডোপ টেস্টের মত বিষয়গুলো আইনে নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, আগের আইনে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল ১৫ বছরের কারাদণ্ড।
বাংলা ইনসাইডার/বিকে/জেডএ
যেভাবে সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের হলো

যেভাবে সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের হলো

বাংলাদেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে মাত্র নয় কিলোমিটার দক্ষিণে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত এই দ্বীপ। সম্প্রতি মিয়ানমার সরকার তাদের একটি জনসংখ্যা বিষয়ক মানচিত্রে সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে নিজেদের অংশ হিসেবে দেখিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রতিবাদের মুখে ওয়েবসাইট থেকে সেন্টমার্টিনকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ দাবি করার তথ্য সরিয়ে নেয় মিয়ানমার। এখানে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হলোঃ
কীভাবে সৃষ্টি হলো সেন্ট মার্টিন?
প্রচুর নারকেল গাছ থাকায় সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি বহু আগে থেকেই নারকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক শেখ বখতিয়ার উদ্দিন বহু বছর সেন্ট মার্টিন দ্বীপ নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি বলেন, প্রায় ৫ হাজার বছর আগে টেকনাফের মূল ভূমির অংশ ছিল জায়গাটি। কিন্তু ধীরে ধীরে এটি সমুদ্রের নিচে চলে যায়। এরপর প্রায় ৪৫০ বছর আগে বর্তমান সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ পাড়া জেগে উঠে। এর ১০০ বছর পর উত্তর পাড়া এবং পরবর্তী ১০০ বছরের মধ্যে বাকি অংশ জেগে উঠে।
২৫০ বছর আগে আরব বণিকদের নজরে আসে এ দ্বীপটি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের সময় আরব বণিকরা এ দ্বীপটিতে বিশ্রাম নিতো বলে জানান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল পাশা। আরব বণিকরা দ্বীপটির নামকরণ করেছিল `জাজিরা`। এই নামটি পরবর্তিত হয়ে নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিতি পায় দ্বীপটি।
অধ্যাপক বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, প্রায় ৩৩ হাজার বছর আগে দ্বীপটিতে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল। বিভিন্ন কার্বন ডেটিং-এ এর প্রমাণ মিলেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।  ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০০ সালে ভূমি জরিপের সময় এই দ্বীপটিকে ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া হয়। যদিও সে সময়ে বার্মা ব্রিটিশ শাসনের আওতায় ছিল। কিন্তু তারপরেও সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে বার্মার অন্তর্ভুক্ত না করে ব্রিটিশ-ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল বলে জানান অধ্যাপক মোস্তফা কামাল পাশা। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনে ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, খ্রিস্টান সাধু মার্টিনের নামানুসারে দ্বীপটির নামকরণ করা হয়।
অন্যদিকে অধ্যাপক বখতিয়ার বলেন, দ্বীপটিকে যখন ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তখন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মার্টিনের নামানুসারে দ্বীপটির নামকরণ করা হয়।
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের ওয়েব সাইট থেকে জানা যায়, ১৮৯০ সালে কিছু মৎস্যজীবী এ দ্বীপে বসতি স্থাপন করে। এদের মধ্যে কিছু বাঙালির পাশাপাশি রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকও ছিল। তবে ধীরে ধীরে দ্বীপটি বাঙালী অধ্যুষিত এলাকা হয়ে উঠে। আর কালক্রমে এই এলাকাটিই হয়ে উঠে বাংলাদেশের পর্যটনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থানগুলোর মধ্যে একটি।
সূত্র: বিবিসি
বাংলা ইনসাইডার/এএইচসি/জেডএ

কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি

কমিউনিটি ক্লিনিক
গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট গঠন ও আনুসাঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান করে কমিউনিটি স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট বিল-২০১৮ তে সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।
আজ সোমবার দুপুরে এ সংক্রান্ত বিলে সম্মতি দিয়েছেন দেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এই ট্রাস্টের লক্ষ্যই হচ্ছে, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, ট্রাস্টের তহবিল ব্যবহার করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া।
কমিউনিটি স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট বিল-২০১৮ পাশ হওয়ায় মধ্য দিয়ে আমাদের দেশের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষদের স্বাস্থ্য সেবা লাভে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হয়েছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
দেশে বর্তমানে ১৩ হাজার ৮৬১টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এ ধরনের আরও এক হাজার ২৯টি ক্লিনিক বাস্তবায়নে সরকারের পরিকল্পনা আছে।
বাংলা ইনসাইডার/বিকে/জেডএ

মাদ্রাসার উন্নয়নে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ


সারা দেশে এক হাজার ছয়শ ৮১টি মাদ্রাসার অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা সর্বোচ্চ ব্যয় ধরে ১৮টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি(একনেক)।
মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মোট ১৭ হাজার সাতশ ৮৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।
এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১৩ হাজার আটশ ১৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, আর বৈদেশিক সহায়তা থেকে তিন হাজার নয়শ ৩০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৪২ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
সংসদ সদস্যদের দেয়া তালিকা অনুযায়ী তাদের নিজস্ব এলাকায় ছয়টি করে মাদ্রাসার উন্নয়ন করা হবে। এছাড়াও বিশেষ বিবেচনায় সারাদেশে আরও দুইশটি মাদ্রাসার উন্নয়ন করা হবে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিস্তারিত ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।

(সূত্র: দৈনিক যুগান্তর)

Sunday, October 7, 2018

রক্তশূন্যতা কমায় লাল শাক

লালশাক
মার্কিন কৃষি দফতরের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত লাল শাক খেলে দেহে ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে শরীরের অভ্যন্তরে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামসহ এমন কিছু উপাদানের ঘাটতি দূর হয়, যা ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে রাখে। নিয়মিত লাল শাক খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-
১. লাল শাকে উপস্থিত কিছু উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে ক্ষিদে কমে যায়। এ কারণে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
২. বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন লাল শাক খেলে শরীরের ভিতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দূর হয়। এতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।
৩. লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি শরীরে উপস্থিত একাধিক টক্সিক উপাদানের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ক্যান্সার সেল যাতে জন্ম নিতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। 
৪. এই শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া এটি গ্যাস্ট্রিকের জন্যও উপকারী।। ৫. লাল শাকে উপস্থিত ভিটামিন সি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
৬. একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত লাল শাক খেলে একদিকে যেমন কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে, তেমনি  রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে রক্ত পরিশুদ্ধ হয়। 
৭. লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মাজার পর লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের হলুদ ভাব কেটে যায়। 
৮. লাল শাকে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ কারণে এটি অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য উপকারী। 
সূত্র : বোল্ড স্কাই 

ওজন কমায় ধনেপাতার রস

ধনেপাতা
রান্নার স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতার জুড়ি নেই। সুগন্ধি এই পাতার অনেক ওষুধি গুণও রয়েছে। এতে থাকা অ্যান্টিইনফ্লেমেটারি এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে, খাদ্যে অরুচি দূর করে এবং হজমশক্তি বাড়ায়। এছাড়া ধনে পাতায়  থাকা  কোয়ারসেটিন উপাদান ওজন কমাতে সাহায্য করে। ধনে পাতার রস  বিপাকে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে ডিটক্সিকেটিং পানীয় হিসেবেও কাজ করে।
যেভাবে তৈরি করবেন ধনেপাতার পানীয়-
 ১. কিছু ধনে পাতা এক বোতল পানিতে দিয়ে সারা রাত ফ্রিজে রেখে দিন। পরেরদিন সকালে খালি পেটে পান করুন। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করবে।
২. ধনেপাতা দিয়ে রসও তৈরি করতে পারেন।এক কাপ কুচোনো ধনে পাতা  ব্লেণ্ডারে ভাল ভাবে ব্লেন্ড করুন। এরপর এতে এক কাপ পরিমাণে পানি যোগ করুন। এবার রসটি প্রতিদিন সকালে পান করুন। ওজন কমাতে উপকার পাবেন। 
ধনেপাতা ছাড়া ধনের বীজও ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। এর জন্য এক চামচ ধনে বীজ নিন । এবার একটি হাড়িতে কিছুটা পানি ফোটান। ফোটানো পানিতে ধনে বীজ ফেলে দিয়ে আরও এক মিনিট ফুটান। আঁচ থেকে সরিয়ে ঠাণ্ডা করুন। বীজ সহ পানিটি সারা রাত রেখে সকালে ফিল্টার করে নিন। এই পানি একদিকে যেমন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী তেমনি প্রাকৃতিক উপায়ে ওজন কমাতেও সাহায্য করে।  
সূত্র : এনডিটিভি

কান্না চেপে রাখা উচিত নয় যে কারণে


একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে , কান্না  খুবই স্বাস্থ্যকর একটা ব্যাপার। এতে শরীর ও মন ভাল থাকে। গবেষণা আরও বলছে, আমরা যখনই কাঁদি, তখন শরীরের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যার প্রভাবে শরীরের সঙ্গে সঙ্গে চোখের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে।
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন আমাদের চোখ থেকে যদি কম-বেশি ১০ আউন্স পানি বের হয় তাহলে তা শরীরের নানা কাজে লাগে। যেমন-
১. কান্না করলে যন্ত্রণা কমে।  যে কোনও ধরনের শারীরিক যন্ত্রণা বা কষ্ট কমাতে কান্নার বিকল্প নেই। কান্না করলে শরীরের ভেতরের অক্সিটসিন এবং এন্ডোজেনাস অপিওডিস নামক দুটি হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমে। সেই সঙ্গে মন-মেজাজও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। 
২. ২০১৫ সালে হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে ,কাঁদার সময় আমাদের শরীরের ভিতরে এমন কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে।
৩.  যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, কাঁদার সময় মনের চঞ্চলতা কমে যেতে শুরু করে। ফলে সুখ কিংবা দুঃখ, যে কারণেই চোখে পানি আসুক না কেন, মনের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে কোনও কষ্টই হয় না। এজন্য কান্নার পর মনটা হালকা লাগে। 
৪. একাধিক গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা লক্ষ করেছেন, কাঁদার সময় শরীরে উপস্থিত  টক্সিক উপাদান চোখের পানির সঙ্গে বেরিয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনও ধরনের শারীরিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। 
৫. জন্ম নেওয়ার পরই নবজাতকের কান্না তার শরীরের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। প্রথম কান্নার সময়ই বাচ্চার শরীরে অক্সিজেন প্রবেশ করতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ফুসফুস ধীরে ধীরে অক্সিজেন গ্রহণ করার পরিস্থিতিতে আসে। ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে শুরু হতে সময় লাগে না। 
৬. ২০১১ সালে ফুড মাইক্রোবায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  কাঁদার সময় চোখের পানির সঙ্গে লাইসোজাইম নামে একটি রাসায়নিকও শরীর থেকে বেরিয়ে আসে। এই উপাদানটি ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে আমাদের শরীরে উপস্থিত প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ জীবাণুদের মেরে ফেলে। ফলে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। 
৭. কাঁদার সময় মস্তিষ্কের ভেতরে প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম অ্যাকটিভেট হয়ে যায়। যে কারণে ধীরে ধীরে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে শরীর ও মন শান্ত হয়। 
সূত্র : বোল্ড স্কাই , হেলথ লাইন

ফ্রিজে রেখে খাবেন না যেসব ফল

ফল স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী। কিন্তু এই ফলই বিষাক্ত হয়ে যায় যদি তা দীর্ঘদিন ফ্রিজে রেখে খাওয়া হয়। এমনিতে ফল বেশিদিন তাজা থাকে না। না খেলে দ্রুতই অনেক ফল পেকে যায় বা কালো হয়ে যায়। এজন্য অনেকে ফল ফ্রিজে রেখে দেন। তাদের ধারনা ফ্রিজে থাকলে নিশ্চয়ই  সেগুলো টাটকা থাকবে। কিন্তু অতিরিক্ত মজে কিছু কিছু ফল আরও বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। যেমন-
১. যেকোনও লেবু জাতীয় ফলে অ্যাসিডের পরিমাণ খুব বেশি থাকে৷  অতিরিক্ত ঠান্ডায় সেগুলো খারাপ হয়ে বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে ৷ ঠান্ডায় লেবুর খোসাও শুকিয়ে যায়। একারণে কমলা, লেবু এসব ফল ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়।
২. পাকার জন্য পেঁপে ফ্রিজে রাখলে তা পাকতে আরও দেরি হবে৷ বরং বাইরে রাখলে এটি তাড়াতাড়ি পেকে যাবে।
৩. কলা যেহেতু গরম তাপমাত্রায় ফলে তাই গরমেই এটি ভাল থাকে । স্বাভাবিক তাপমাত্রায় থাকলে পাকেও তাড়াতাড়ি৷ আর ফ্রিজে  কলা রাখলে পাকতে দেরি হয়। সেই সঙ্গে কলার কোষের গঠনও নষ্ট হয়ে সেটি বিষাক্ত হতে পারে। 
৪. অতিরিক্ত ঠান্ডায় শশার খোসা নষ্ট হয়ে যায়৷ শশা অতিরিক্ত গরমে রাখা যেমন ঠিক নয় তেমনি ফ্রিজে রাখাও উচিত নয়৷ আলো নেই, ঠান্ডা এরকম কোনও জায়গায় শশা রাখা উচিত ৷ এতে অন্তত ১ সপ্তাহ  এটি তাজা থাকবে। 
৫. বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্রিজে রাখলে তরমুজের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়৷ তরমুজ তাই যতক্ষণ না কাটা হচ্ছে ততক্ষণ ফ্রিজের বাইরে রাখাই ভাল৷  
 ৬.আপেল  ফ্রিজে রাখলেই শুকিয়ে গিয়ে সব খাদ্যগুণ নষ্ট হয়ে যাবে৷ বরং বাইরে রাখলে এটি ২ সপ্তাহ পর্যন্ত ভাল থাকে।
৭. ফ্রিজে রাখলে নাশপাতি নরম হয়ে মজে যেতে পারে। যা খেলে পেটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এ কারণে এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেই রাখুন। 
সূত্র : নিউজ এইট্টিন

গুগল সার্চ থেকে মুক্তি দিচ্ছে ”আমি রোবট না ”

Google

নিজেকে মানুষ প্রমান করার জন্য সার্চ জায়ান্ট গুগল ওয়েবসাইট সিকিউরিটিতে বিরক্তিকর এক ধাপ পার করতে হয়। এখন সেই ঝামেলা থেকে গুগল ব্যবহারকারি মুক্তি পাচ্ছে ।


সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছেন তারা গুগল ব্যবহারকারিদের জন্য নতুন সিস্টেম ডেভেলপ নিয়ে আসছেন। যেখানে ওয়েবসাইটটি অদৃশ্যভাবেই সিকিউরিটি চেকের কাজ করবে ।

গুগল সার্চ সিকিউরিটির জন্য একটি ক্যাপচা দেওয়া হয়, যেখানে কিছু কঠিন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ওয়েবসাইটে ঢুকতে হয়। তবে এই প্রক্রিয়া বদলে নতুন প্রক্রিয়া নিয়ে আসছে গুগল। যেখানে ক্যাপচারের প্রয়োজন নাই।

এক জন ব্যবহারকারি কিভাবে ইন্টারেক্ট করে তা নতুন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ট্রাক করে সিস্টেমটি নিজেই ঠিক করে নিবে আসল ও নকল।

গুগলের এই নতুন সিস্টেম চালু হলে ব্যবহারকারির ক্যাপচা পূরণের অতিরিক্ত সময় ব্যয় কমবে আশা করা হচ্ছে।

নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

আরেকটি সাফল্য মেয়েদের ফুটবলে - ছবি : সংগ্রহ
অবশেষে ভুটানের মাঠে টানা ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বের হয়ে এলে বাংলাদেশের ফুটবল। রোববার সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা ফুটবলের ফাইনালে নেপালকে ১-০ তে হারিয়ে প্রথমবার আয়োজিত এই আসরে চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ। ম্যাচের ৫০ মিনিটে মাসুরা পারভীনের গোলে লাল-সবুজরা এখন সাফ সেরা।
অথচ আগস্টেই থিম্পুর এই চাংলিমিথান স্টেডিয়ামে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবলের ভারতের কাছে ট্রফি হারায় গোলাম রাব্বানী ছোটনের দল। এবার ফাইনালে ভারতকে না পেলেও নেপাল বধের মাধ্যমে লাল-সবুজের উল্লাস মাঠ ও গ্যালারী জুড়ে। বাংলাদেশ এবার শিরোপার সাথে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারও জিতেছে। সিরাত জাহান স্বপ্না ৮ গোল করে এই ট্রফি জয় করেন।
তুমুল লড়াই করার জন্য খ্যাতি আছে নেপালীদের। ফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেভাবেই শুরু নেপালের। মারজিয়ার বদলে খেলতে নামা লাল-সবুজদের স্ট্রাইকার সিরাত জাহান স্বপ্নাকে কড়া মার্কিংয়ে রাখে তারা। মিডফিল্ডে সুবধিা করতে দিচ্ছিলনা মারিয়া, মনিকাদের। নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছিলেন না অধিনায়ক মৌসুমী ও সানজিদা। এরপরও ৭ মিনিটে গোলের সুবর্ণ সুযোগ পায় বাংলাদেশ। রুপনা চাকমার গোল কিক থেকে মাঝ রেখার কাছে ফাঁকায় বল পান কৃষ্ণা রানী সরকার। তার সামনে শুধুই নেপালী গোলরক্ষক। বল নিয়ে ঢুকে পড়েন তিনি। এরপর এগিয়ে আসা গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল জালে পাঠাতে গিয়ে তিনি মারেন বাইরে। অথচ তিনি যতটুকু সময় পেয়েছিলেন তাতে গোলরক্ষককে কাটিয়ে বল জালে পাঠাতে পারতেন।
২২ মিনিটে আরেকটি ভুল করেন অনূর্ধ্ব -১৬ জাতীয় দলের সাবেকই অধিনায়ক কৃষ্ণা । বল ফাঁকায় দাঁড়ানো স্বপ্নাকে না দিয়ে নিজেই মারেন গোলরক্ষক সোজা। এর আগে ১৫ আঁখি খাতুন মিস করেন গোল। এই অর্ধে নেপাল দুটি হায় চান্স পেলেও তা থেকে গোল আদায় করতে পারেনি।
বিরতির পর পরই লিড বাংলাদেশের। মনিকা চাকমার নেয়া ফ্রি-কিকে ডিফেন্স থেকে উঠে আসা মাসুরা পারভীনের হেড গড়িয়ে গড়িয়ে চলে যায় জালে। অবশ্য পরের মিনিটেই সমতার খুব কাছে চলে যায় নেপাল। আঁখি খাতুনের দৃঢ়তায রক্ষা। ফ্রি-কিক থেকে আসা বলে গোলরক্ষক রুপনা চাকমা ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন। তাতে এক নেপালী ফুটবলারের নেয়া ভলি পোস্টে লাগার পর ক্লিয়ার করেন আঁখি। লিডের পর কিছুটা রক্ষনাত্মক হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। এই সুযোগে ৭৪ মিনিটে নেপালের পাওয়া সুযোগ নষ্ট করেন মনীষা। তার শট বার ঘেঁষে চলে যায়। একটু ফাটলও দেখা যায় ছোটন বাহিনীর ডিফেন্স লাইনে। নেপালীরা এই সময়ে অলআউট অ্যাটাকে গেলে বাংলাদেশ কাউন্টার অ্যাটাকে বিপক্ষ রক্ষনভাগ ভাঙার চেষ্ঠা করে। অবশ্য তাতেও ব্যবধান বাড়েনি।
আসরের সব কটি ম্যাচ জিতেই ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে দিয়েছে ২৩ গোল। এই নেপালকে হারিয়েই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। আর ফাইনালেও বাংলাদেশের সামনে দাড়াতে পারেনি হিমালয় কন্যারা। ফলে দেশের ফুটবল সমর্থকদের আরো একবার আনন্দে ভাসাল অনূর্ধ-১৮ নারী ফুটবলাররা।

সেন্টমার্টিনকে নিজেদের দাবি করে প্রকাশিত মানচিত্র সরিয়ে ফেলেছে মিয়ানমার

সেন্টমার্টিনকে নিজেদের দাবি করে প্রকাশিত মানচিত্র সরিয়ে ফেলেছে মিয়ানমার - ছবি : সংগৃহীত
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদের পর মিয়ানমার তাদের সেন্টমার্টিনকে তাদের নিজস্ব ভুমি হিসেবে দাবি করে প্রকাশিত মানচিত্র ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে অন্যকোন ওয়েবসাইটে কিংবা অন্য কোথাও এ ধরণের তৎপরতা রয়েছে কিনা তা মনিটর করার জন্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।
রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির সভাপতি ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহ্রিয়ার আলম, মুহাম্মদ ফারুক খান, সেলিম উদ্দিন ও বেগম মাহজাবিন খালেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহীদুল হক, মেরিটাইম এ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব মো. খুরশেদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কমিটি সূত্র জানায়, মিয়ানমার সরকারের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগের ওয়েবসাইট তাদের দেশের যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে তাতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপপুঞ্জকে তাদের ভূখন্ডের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পত্রিকায় প্রকাশিত এসংক্রান্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। আলোচনাকালে কমিটির সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এ বিষয়ে জোর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এরপর তারা তাদের ওয়ের সাইট থেকে ওই মানচিত্রটি সরিয়ে ফেলেছে।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে কমিটির সদস্যরাও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। আলোচনাকালে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মিয়ানমার তাদের ওয়েবসাইটে সেন্টমার্টিনকে নিজেদের ভূখন্ড দাবি করে যে তথ্য প্রচার করেছিল বাংলাদেশের প্রতিবাদের পর তা ইতোমধ্যে সরিয়ে ফেলেছে। কমিটির পক্ষ থেকে অন্য কোথাও এ ধরনের তথ্য আছে কিনা তা দেখার জন্য মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।
এদিকে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে কোন ধরণের নেতিবাচক অপপ্রচার মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক তৎপর থাকতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। আরো বলা হয়, সদ্য সমাপ্ত জাতিসঙ্ঘ সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের বিশ্বয়কর অগ্রগতিতে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের অবস্থান ও বিশ্বে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি সম্পর্কে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের বিভিন্ন ইতিবাচক মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ যাতে এভাবে এগিয়ে যায় সেজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
(সংগ্রহ: নয়া দিগন্ত)

Thursday, October 4, 2018

প্রবাসীদের টাকা বিনা খরচে দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী



অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা যেন বিনা খরচে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন, সে ব্যাপারে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।’ বৃহস্পতিবার (২০সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৭’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এখন প্রবাসীদের ফি দিয়ে টাকা পাঠাতে হয়। ফি দিয়ে যেন পাঠাতে না হয়, তার একটি প্রস্তাব আমরা বিবেচনা করছি।’ তিনি বলেন, ‘যারা রেমিটেন্স পাঠান, তাদের একটা কষ্ট আছে। তাদের কীভাবে সে খরচ দেওয়া যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে। আশা ছিল, স্কিমটি কিছুদিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে পারবো। তবে আমি নিশ্চিত নই, এটি করে যেতে পারবো কিনা। তবে ভবিষ্যৎ সরকার তা এগিয়ে নেবে।’

যখন পাকিস্তান ছিল, তখনও রেমিটেন্স আসতো উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তখন রেমিটেন্স আনার জন্য কিছু ব্যবস্থা ছিল। বন্ড অ্যান্ড পারচেস ছিল। কিন্তু তখন আসা ওই রেমিটেন্সের প্রভাব অর্থনীতি ও মুদ্রানীতিতে তেমন ভালো ছিল না। এখনও অনেকেই বলেন, আগের ওই পদ্ধতির কথা। আমি এটার ঘোর বিরোধী। আমি শক্তভাবে এর আপত্তি জানাই। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের শুধু অভিনন্দন দেওয়াই ঠিক নয়। অভিনন্দন তাদের প্রাপ্য। তারচেয়ে বড় কথা তারা অর্থনীতির ভিত মজবুত করছে।’

অনুষ্ঠানে এই বছর পাঁচটি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৭টি অ্যাওয়াড দেওয়া হয়। ২৯ জন ব্যক্তি, ৫ ব্যাংক ও প্রবাসী বাংলাদেশি মালিকানাধীন তিনটি এক্সচেঞ্জ হাউজকে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থমন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামরুন নাহার আহমেদ ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ মুনিরুছ সালেহিন প্রমুখ। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুর রহিম।

Most Powerful Video Creation Software