Monday, January 14, 2019

ডিজিটাল মার্কেটিং এবং এস,ই,ও আউট সোর্সিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং এবং  এস,ই,ও  আউট সোর্সিং কি?

বর্তমান বিশ্বে ব্যবসায়ীক বা যেকোন প্রচারণার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। আর ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে মার্কেটিং এর এমন একটি মাধ্যম যার দ্বারা আপনি আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের বিজ্ঞাপন খুব সহজে আপনার কাঙ্খিত কাস্টোমারের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন। এই ডিজিটাল মার্কেটিং অনেকেই পেশা হিসেবে নিচ্ছেন।কেউ কেউ কাজ করছেন বিভিন্ন কোম্পানির ডিজিটাল মার্কেটার পোস্টে, আর কেউ কেউ করছেন ফ্রিলান্সিং হিসেবে। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এবং এস,ই,ও হলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয় যা শিখে আপনি গড়ে করতে পারেন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার।



সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং এর জনপ্রিয় ও সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হলো সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। এখন ছোট বড় প্রায় সব কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রচারণা করে থাকে্ন। আর কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান গুলো সোস্যাল মিডিয়াতে মূলত দুই ভাবে মার্কেটিং করে থাকেন, যার একটি হলো ফ্রি মার্কেটিং অন্যটি পেইড। আর এই দুই ধরনের মার্কেটিং এর জন্য রয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-কানুন ও কলা-কৌশল যেমন ফ্রি মার্কেটিং করতে পারেন পেজ, গ্রুপ ইত্যাদির মাধ্যমে আর পেইড মার্কেটিং এর জন্য প্রত্যেক সোশ্যাল মিডিয়াতে রয়েছে মার্কেটিং ড্যাশবোর্ড, যেখান থেকে আপনি আপনার ক্যাম্পাইন গুলো পোস্ট করতে পারবেন। 

পেইড সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হলো এর রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট অনেক হাই হয়ে থাকে। তাই কোম্পানি বা ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান গুলো প্রচারনার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং কে বেছে নেয়। আর তাদের ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য প্রয়োজন হয় প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটিং টিম। সুতরাং ডিজিটাল মার্কেটারের চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলছে।


এস,ই,ও কি?

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন, যাকে সংক্ষেপে বলা হয় এস,ই,ও যা ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্বপূর্ণ  আরেকটি মাধ্যম। আর এখন প্রায় সব ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গুলোর এমনকি ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনেকের নিজস্ব ওয়েব সাইট রয়েছে। সাধারনত ইন্টারনেট ব্যাবহারকারী গণ যেকোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তি বিশেষের নাম সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সার্চ করে ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে। সরাসরি ওয়েব সাইটের অ্যাড্রেস লিখে কম মানুষই একটি সাইটে প্রবেশ করেন। সুতরাং বুঝতেই পারছেন কেন একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন করতে হয়।

তাছাড়া আজকের প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসইওর মাধ্যমে আপনার পণ্যকে গুগল সার্চের সবচেয়ে উপরে নিয়ে আসবেন, তাহলে আপনার পণ্যের বিক্রিও বৃদ্ধি পাবে কারণ বর্তমানে মানুষ কোন পণ্য কেনার আগে গুগল থেকে সার্চ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

 শুধু মাত্র নতুনদের জন্য
Start freelancing & Earn money

Sunday, January 6, 2019

বিনা জামানতে ২ লাখ টাকা লোন পাবে যুবকরা : প্রধানমন্ত্রী

বিনা জামানতে ২ লাখ টাকা লোন পাবে যুবকরা : প্রধানমন্ত্রী




টিবিটি জাতীয়ঃ‘যুব দিবসে’প্রধানমন্ত্রী যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আমাদের সরকার বিভিন্ন মেয়াদে ট্রেনিং দিচ্ছে। এ ট্রেনিং নিয়ে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। যুবকদের কথা চিন্তা করে সরকারি বিভিন্ন খাতের সঙ্গে বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।


যুব সমাজের জন্য হাজার হাজার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের সরকার যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করেছে। যে কোনো যুবক বিনা জামানতে ২ লাখ টাকা লোন পাচ্ছেন।
গত নভেম্বর ২, ২০১৮ইং তারিখে রোজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে যুব দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন যুব ক্রীড়া উপ-মন্ত্রী আরিফ খান জয় ও জাহিদ আহসান রাসেল।

নতুন মন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৭০টি গাড়ি


পরিবহন পুলে ধোয়ামোছা হচ্ছে গাড়ি সোমবার (৭ জানুয়ারি) শপথ নিতে যাওয়া মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য প্রায় ৭০টি গাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে। পরিবহন পুলে গাড়িগুলো শেষ মুহূর্তের ধোয়ামোছার কাজ রোববার শেষ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহম্মদ বলেন, আমাদের যথেষ্ট গাড়ি প্রস্তুত রাখা আছে। চালকও প্রস্তুত। মন্ত্রীদের ঠিকানা পেলেই আমরা গাড়ি পৌঁছে দিতে পারবো। গাড়ি যা লাগবে সবই দেওয়া যাবে। সংখ্যাটা বলছি না।
পরিবহন পুলে গিয়ে দেখা গেছে, টয়োটা হাইব্রিড গাড়ি সারি-সারি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের বঙ্গভবনে যাওয়ার জন্য এসব গাড়ি বরাদ্দ থাকবে, সেগুলোতে জাতীয় পতাকার স্ট্যান্ডও যুক্ত করা হয়েছে।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর, ১২ জানুয়ারি ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করে যাত্রা শুরু হয়েছিল সরকারের। তাদের মধ্যে ২৯ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী ও দুজন উপমন্ত্রী। শেষ পর্যন্ত ওই মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন ৫৩ জন। তবে ভোটের আগে পদত্যাগ করেন চার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। শেষ পর্যন্ত সংখ্যাটি দাঁড়ায় ৪৯-এ।
এবার যারা মন্ত্রীত্ব পেলেন-
২৪ জন পূর্ণমন্ত্রী
আ ক ম মোজাম্মেল হক- মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ওবায়দুল কাদের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক কৃষি মন্ত্রণালয়, আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ড. মো. হাছান মাহমুদ তথ্য মন্ত্রণালয়, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আ হ ম মোস্তফা কামাল অর্থ মন্ত্রণালয়, মো. তাজুল ইসলাম স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, ডা. দীপু মনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এ কে আব্দুল মোমেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এম এ মান্নান পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন শিল্প মন্ত্রণালয়, গোলাম দস্তগীর গাজী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, জাহিদ মালেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্য মন্ত্রণালয়, টিপু মুনশী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, নুরুজ্জামান আহমেদ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, শ ম রেজাউল করিম গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, মো. শাহাবুদ্দিন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বীর বাহাদুর উ শে শিং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সাইফুজ্জামান চৌধুরী ভূমি মন্ত্রণালয়, মো. নুরুল ইসলাম সুজন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং টেকনোক্র্যাট কোটায় স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মোস্তাফা জব্বার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

১৯ জন প্রতিমন্ত্রী
কামাল আহমেদ মজুমদার শিল্প মন্ত্রণালয়, ইমরান আহমেদ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জাহিদ আহসান রাসেল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, নসরুল হামিদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, আশরাফ আলী খান খসরু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মুন্নুজান সুফিয়ান- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জাকির হোসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, শাহরিয়ার আলম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জুনায়েদ আহমেদ পলক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, ফরহাদ হোসেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বপন ভট্টাচার্য্য স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, জাহিদ ফারুক পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মুরাদ হাসান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, শরীফ আহমেদ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, কে এম খালিদ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডা. মো. এনামুর রহমান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, মো. মাহবুব আলী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

তিনজন উপমন্ত্রী
বেগম হাবিবুন নাহার পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, একেএম এনামুল হক শামীম পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


Copy: daily naya diganta